আমানতকারীদের স্বার্থপরিপন্থী কার্যকলাপে অগ্রণীর এমডি

[ad_1]

অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৬৪৩তম সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর। এতে ব্যাংকের জন্য ভাড়া করা ভবনটি ব্যাংকের বিভিন্ন বিভাগকে বরাদ্দ প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু এই নির্দেশনা লঙ্ঘন করে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার মাস্টার এজেন্ট দুয়ার সার্ভিসেস লিমিটেডকে জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এমনকি এই জায়গা বরাদ্দের বিষয়টি দুয়ার সার্ভিসেস ও অগ্রণী ব্যাংকের মধ্যে যে চুক্তি হয়েছে, তাতেও উল্লেখ নেই। এরপরও দুয়ার সার্ভিসেসের ব্যবহৃত জায়গার ভাড়া ব্যাংক পরিশোধ করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের চিঠিতে বলা হয়েছে, এটা ব্যাংকের অর্থ তছরুপের শামিল। এ জন্য প্রতি মাসে ২ লাখ ২ হাজার ১৫০ টাকা ভাড়া দেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১ কোটি ১৮ লাখ টাকা ভাড়া প্রদানের মাধ্যমে ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছেন এমডি এবং তা এখনো চলছে। ব্যাংকের এমডির ক্ষমতাবহির্ভূত এমন কর্মকাণ্ড আমানতকারীদের স্বার্থের পরিপন্থী।

২০২১ সালের অক্টোবর মাসে অগ্রণী ব্যাংকের অলস তারল্য ছিল ৩০ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। ব্যাংকের আমানত উদ্বৃত্ত ছিল প্রায় ৪৫ শতাংশ। এরপরও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ব্যাংকটি আমানত সংগ্রহ করছে এবং এ খাতে মাসে তিন-চার কোটি টাকা খরচ বৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকিং সেবাবঞ্চিত এলাকায় সেবা পৌঁছে দেওয়া এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার লক্ষ্য। তবে অগ্রণী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা দেওয়া হচ্ছে ঢাকার গুলশান, বনশ্রী, যাত্রাবাড়ী এলাকায়। এসব এলাকায় ১৫টি এজেন্ট নিয়োগ করা হয়েছে। এই ১৫ এজেন্টের মধ্যে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট আত্মীয়দের আছে ছয়টি, যার মধ্যে এমডির সহকারী একান্ত সচিবের স্ত্রী ও বোন, বোর্ড ডিভিশনের সচিবের স্ত্রী, বোর্ড ডিভিশনের কর্মকর্তার বোনও আছেন। এই ছয় এজেন্টকে কয়েক বছরে প্রায় ৬ কোটি ২২ লাখ টাকা কমিশন দিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment