ইউক্রেন যুদ্ধ: পশ্চিমা মিডিয়ার মিথ্যার মুখোশ খুলে দিচ্ছেন যাঁরা

[ad_1]

অন্যদিকে গ্রাহাম ফিলিপস হলেন ব্রিটিশ নাগরিক, ইউক্রেনের মারিউপোল থেকে যিনি নিয়মিতভাবে যুদ্ধের বাস্তব অবস্থার সচিত্র প্রতিবেদন ইউটিউবে সংযুক্ত করা ছাড়াও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রচার করছেন। এখন তিনি অবস্থান করছেন দনবাসে এবং সেখান থেকে জানাচ্ছেন দনবাসের স্থানীয় লোকজন কীভাবে দেখছেন যুদ্ধকে। গ্রাহাম এবং আলিনা—দুজনেই শীতল কক্ষের আরামকেদারায় বসে থেকে গোয়েন্দা সংস্থার সরবরাহ করে যাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সংবাদ প্রচারের দায়িত্ব পালন করে যাওয়া সাংবাদিক নন; বরং তাঁরা হলেন সেই সাংবাদিক, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সেখানে সত্যিকার অর্থে কী ঘটে চলেছে সেই বার্তা যাঁরা পৌঁছে দিচ্ছেন নিজেদের ভক্ত আর অনুসারীদের কাছে। বিনিময়ে বড় অঙ্কের কোনো রকম অর্থপ্রাপ্তি তাঁদের কপালে অবশ্যই জুটছে না, বরং যা তাঁরা পাচ্ছেন তা হলো, নিজ নিজ দেশের যুদ্ধবাজ সরকার আর প্রশাসনের তিরস্কার।

জার্মানির একটি আদালত সম্প্রতি আলিনা লিপকে রাষ্ট্রদ্রোহী ঘোষণা করে তার সব রকম সম্পদ জব্দের ঘোষণা দিয়েছে। গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখার দোহাই দিয়ে আমাদের মতো দেশে নিজেদের পোষ্য তৈরি করে নেওয়ার খেলায় দুই হাতে অর্থ বিলিয়ে যাওয়া দেশটি নিজের দেশের একজন সত্যভাষী নাগরিকের কণ্ঠ রোধ করতে এমন কোনো পদক্ষেপ নেই, যা কাজে লাগাচ্ছে না। আলিনার অনুপস্থিত বিচার যেভাবে করা হয়, ইংরেজি ভাষায় সেই প্রক্রিয়ার একটি নামকরণ করা আছে—‘স্টার চেম্বারের’ রায়। অভিযুক্ত ব্যক্তির কথা বলা কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থনের কোনো সুযোগ সেখানে নেই এবং অভিযোগ, বিচার ও রায়—সবই হচ্ছে একতরফা।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment