খেলার মাঠটা কি ভাগ হয়ে যাবে

[ad_1]

দারোগাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, মূলত দুটি কারণে তাঁরা মাঠের মাঝখানে দেয়াল নির্মাণ করছেন। প্রথমটি হলো উচ্চবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যদি তাদের নতুন ভবন পূর্ব-পশ্চিম বরাবর নির্মাণ করে, সে ক্ষেত্রে মাঠে তাঁদের অংশের অন্তত ১০ ফুট জায়গা ছাড়তে হবে। এতে তাঁদের মাঠ ছোট হয়ে যাবে। এ জন্য আগেই তাঁরা দেয়াল নির্মাণ করছেন। দ্বিতীয়ত, তাঁদের শিশুশিক্ষার্থীদের জন্য দোলনাসহ খেলনা কেনার একটি প্রকল্প পাস হয়েছে। মাঠে তাঁরা সেগুলো স্থাপন করতে চান। মাঠ যেহেতু উন্মুক্ত রয়েছে, তাই খেলনা নিরাপদ করতে দেয়াল নির্মাণ করছেন।

আতিকুল ইসলাম জানান, এই দেয়াল নির্মাণের জন্য ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষা কর্মকর্তার পরামর্শে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্প থেকে দুই লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।

অন্যদিকে বড় দারোগাহাট এআর মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক বাহার উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, মাঠের মাঝবরাবর স্থানীয় বাসিন্দারা যাতায়াত করেন। রাতে মাঠে স্থানীয় লোকজনের আনাগোনা হয়। এ অবস্থায় প্রাইমারি কর্তৃপক্ষের মাঠ নির্মাণে তাঁরা আপত্তি করছেন না।

তবে স্থানীয় একটি সূত্রের ভাষ্য, মাধ্যমিকের প্রধান শিক্ষকের এই বক্তব্যের সঙ্গে ম্যানেজিং কমিটি ও শিক্ষকদের অনেকেই একমত নন।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment