ছাত্রলীগের বহু পক্ষ, সিট–বাণিজ্য চলছেই

[ad_1]

কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষাজীবন শেষ হলেও অনেক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে হলে থাকার সুযোগ পাননি। ছাত্রদের প্রায় প্রতিটি হলে ছাত্রলীগ নেতারা আর্থিক সুবিধা নিয়ে ছাত্রলীগ সমর্থক শিক্ষার্থীদের হলে তুলেছেন। এ ক্ষেত্রে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে তিন–পাঁচ হাজার টাকা নেওয়া হয়। মেয়েদের হলে মৌখিক পরীক্ষা, জ্যেষ্ঠতাসহ সব নিয়ম মেনে হলে সিট বরাদ্দ হলেও ছেলেদের বেলায় এসবের বালাই নেই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ রাসেল হলের সুপার অধ্যাপক রাশেদুল ইসলামের মতে, ছাত্রদের হলে পুরোপুরি নিয়ম মানা যায় না ঠিকই, তবে হলগুলো পুরোপুরি ছাত্রলীগ নিয়ন্ত্রণ করে, সে কথাও ঠিক নয়। ছাত্রলীগের হল দখলের এমন অভিযোগ এড়াতে সম্প্রতি আবাসনব্যবস্থাকে ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীসংখ্যা ১২ হাজারের অধিক। ছেলেদের পাঁচটি ও মেয়েদের তিনটি আবাসিক হল রয়েছে। এসব আবাসিক হলে শিক্ষার্থী ধারণক্ষমতা পাঁচ হাজার হলেও শিক্ষার্থী থাকেন প্রায় আট হাজার। অতিরিক্ত এসব শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের হাত ধরেই হলে থাকার সুযোগ পান বলে অভিযোগ রয়েছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment