জলদস্যুদের হানায় আতঙ্কে জেলেরা | প্রথম আলো

[ad_1]

বৃহস্পতিবার রাতে জলদস্যুদের কবলে পড়েছিলেন মহিপুর এলাকার ইউসুফ ফকিরের এফভি মা-বাবার দোয়া নামের মাছ ধরার ট্রলারের মাঝি শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘জলদস্যুদের ট্রলারের ধাক্কায় ডুবে যায় আমার ট্রলারটি। আমার সঙ্গে ১২ জন জেলে ছিলেন। প্রায় ছয় ঘণ্টা সাগরে ভেসে থাকার পর আমাদের উদ্ধার করেন অন্য জেলেরা।’

শফিকুল আরও বলেন, গত বছর মাছ তেমন ধরা পড়েনি। নিষেধাজ্ঞা শেষে এখন সাগরে মাছ ধরা পড়ছে। ইলিশের মৌসুম শুরুর সঙ্গে সঙ্গে দস্যুদের উৎপাত বেড়েছে। এ অবস্থায় জেলেরা দস্যুদের আতঙ্কে ভুগছেন।

গত শনিবার মহিপুর মৎস্য বন্দরে গিয়ে জলদস্যুদের হামলার শিকার জেলেদের সঙ্গে কথা হয়। এফবি তাবিম ট্রলারর মাঝি লাল চাঁন বলেন, গত বছর ইলিশের মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে ছিল না। এ কারণে অনেক জেলেই গভীর সাগরে যেতে পারেননি। তাই ইলিশ শিকারও কম হয়েছে। এ বছর ইলিশের আকার বড় ও গভীর সাগরে পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সাগরে দস্যুদের উৎপাতে ইলিশ শিকারে সাগরে যেতে ভয় পাচ্ছেন তাঁরা।

আরেক জেলে নেছার মাঝি বলেন, ‘সাগরে ইলিশ শিকার করেই চলে আমাদের সংসার। কিন্তু জলদস্যুদের কারণে এখন সাগরে নামতেই আতঙ্ক। সাগরে জলদস্যুদের তৎপরতা বন্ধ করতে পারলেই জেলেরা নিরাপদে সাগরে ইলিশ শিকারে যেতে পারবেন।’

[ad_2]

Source link

Leave a Comment