প্রকৌশলী থেকে এখন তিনি স্বাস্থ্যসেবার কারিগর

[ad_1]

২০১২ সালে কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে গবেষক হিসেবে যোগ দেন মামুন। সেখানকার ল্যাবে স্ট্রোক, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ফর হেলথ, ব্রেইন কম্পিউটার ইন্টারফেস, বডি সেন্সর নেটওয়ার্ক ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করেন তিনি। মামুন বলেন, ‘কাজ করতে করতেই আমার দেশে ফিরে একটি ল্যাব প্রতিষ্ঠার ইচ্ছে তৈরি হয়। সেই ইচ্ছে থেকেই ২০১৪ সালে দেশে এসে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে যোগ দিই। আর ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু করি স্বপ্নের অ্যাডভান্সড ইন্টেলিজেন্ট মাল্টিডিসিপ্লিনারি সিস্টেমস (এইমস) ল্যাবের কার্যক্রম।’

এইমস ল্যাবের প্রথম প্রকল্পটিই ছিল ক্লাউড বেজড মেডিকেল সিস্টেম ফর হেলথ মনিটরিং নিয়ে। এ কাজের জন্য ২০১৬ সালে সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগ থেকে প্রথম অনুদান পান। প্রকল্পটির বাণিজ্যিক সফলতার দিক বিবেচনা করে একে স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা করেন তিনি। এ কাজে সহযোগী হয়ে আসে দেশের শীর্ষ মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন। তাদের জিপি এস্কেলেটর প্রোগ্রাম থেকে ১১ লাখ টাকার বিনিয়োগ পায় সিমেড।

এরপর মামুনকে আর পেছনে তাকাতে হয়নি। এখন পর্যন্ত ১০ লাখ ডলার বা প্রায় ৯ কোটি ৪০ লাখ টাকা বিনিয়োগ ও অনুদান পেয়েছে তার প্রতিষ্ঠান। মামুন জানান, স্টার্টআপ উদ্যোগ হিসেবে বর্তমানে বার্ষিক ২৫ শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে তাঁদের প্রতিষ্ঠানের। মাত্র তিনজন কর্মী নিয়ে শুরু করা প্রতিষ্ঠানটিতে এখন ৬০ জন কাজ করছেন।

শুধু সিমেড নয়, এইমস ল্যাবের মাধ্যমে ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যা খুঁজে বের করে তার সমাধানে বিভিন্ন প্রকল্প নিচ্ছেন মামুন। অটিজম আক্রান্ত শিশু, আলঝেইমার বা স্মৃতিভ্রংশ, পারকিনসন ইত্যাদি রোগের ব্যবস্থাপনা নিয়েও কাজ করছেন তাঁরা।

সিমেড মূলত তিনটি ব্যবসায়িক মডেল নিয়ে কাজ করে। প্রথমটি বিভিন্ন অফিস, করপোরেট ও কারখানার জন্য। মডেলটির নাম ‘ডিজিটাল হেলথ কর্নার’। এ ব্যবস্থার আওতায় সংশ্লিষ্ট গ্রাহক প্রতিষ্ঠানে একটি ডিজিটাল হেলথ কর্নার থাকে। সেখানে কর্মীদের নিয়মিত সব ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দেয় সিমেড। প্রত্যেক কর্মীর জন্য থাকে একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্য হিসাব। এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান তার কর্মীর স্বাস্থ্যগত বিষয়ে অবগত থাকতে পারবে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment