বহুদিন থেকেই পেলোসির চোখের বালি বেইজিং

[ad_1]

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত অলিম্পিক গেমসের আয়োজন থেকে চীনকে বিরত রাখতে চেয়েছেন পেলোসি। তিনি অলিম্পিক গেমসের আয়োজক দেশ হিসেবে চীনকে নেওয়ার বিরোধিতা করেছেন।

২০০৮ সালে চীনে গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বয়কট করতে সে সময়ের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশকে যেসব আইনপ্রণেতা অনুরোধ জানিয়েছিলেন, তাঁদের একজন ছিলেন পেলোসি। এ বছরও প্রায় একই চেষ্টা করেন পেলোসি। চীনে উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগে এ বছর শীতকালীন অলিম্পিকে বেইজিংকে কূটনৈতিকভাবে বয়কট করতে আহ্বান জানান হাউস অব স্পিকার পেলোসি।

পেলোসি বলেন, ‘অলিম্পিকে যোগ দিতে দেশের প্রধান হিসেবে আপনারা চীনে যাচ্ছেন। অথচ চীনে গণহত্যা চলছে। এ অবস্থায় প্রশ্ন জাগে, এই আসনে বসে থেকে বিশ্বের কোনো দেশে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে কথা বলার কতটুকু নৈতিক অধিকার আপনাদের আছে।’

পেলোসির এ ধরনের বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় ওয়াশিংটনে নিযুক্ত চীনা দূতাবাসের মুখপাত্র বলেন, চীনের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সমালোচনা করার মতো অবস্থায় নেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিবিদেরা।

বছরের পর বছর ধরে পেলোসি চীনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে দেশটির বাণিজ্যিক অবস্থাকে মেলাতে চেয়েছেন। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় প্রবেশ নিয়ে চীনের ওপর শর্ত আরোপেরও চেষ্টা করেছেন পেলোসি। বুশ এ ধরনের আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে বেশ কয়েকবার ভেটো দিয়েছেন। সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রাথমিকভাবে আইন প্রণয়নে সমর্থন জানান। তবে পরে প্রত্যাখ্যান করেন। ক্লিনটন বলেন, এ ধরনের আইন প্রণয়ন যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত স্বার্থের পরিপন্থী।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment