শার্টের কলার চেপে ধরে বুকে ছুরি বসান কামরুল

[ad_1]

বুলবুল হত্যার সংক্ষিপ্ত বৃত্তান্ত

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের পাশে গাজী-কালু টিলা লাগোয়া ‘নিউজিল্যান্ড’ এলাকায় এক ছাত্রীসহ ঘুরতে গিয়েছিলেন লোকপ্রশাসন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. বুলবুল আহমেদ। ওই দিন সন্ধ্যায় তিনি ছুরিকাহত হন। পরে তাঁকে এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় রাতেই সিলেট মহানগরের জালালাবাদ থানায় হত্যা মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন।

মামলার পরপরই পুলিশ গত ২৫ ও ২৬ জুলাই তিন ছিনতাইকারীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তাঁদের মধ্যে আবুল হোসেনের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ২৭ জুলাই কামরুল ও হাসানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিহত বুলবুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহপরান হলের ২১৮ নম্বর কক্ষে থাকতেন। তাঁর বাড়ি নরসিংদী সদর উপজেলার নন্দীপাড়া গ্রামে। তাঁর হত্যাকাণ্ডের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা দোষীদের বিচার ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবিতে একাধিক কর্মসূচি পালন করেন।

সর্বশেষ গতকাল রোববার বুলবুলের মা, ভাই, দুই বোনসহ পরিবারের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে বুলবুলের ব্যবহৃত জিনিস নিয়ে যান। এ সময় তাঁরা গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, কেবল ছিনতাইয়ের জন্য বুলবুল এমন নৃশংসভাবে খুন হতে পারেন না। এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, সেটা অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে বের করা হোক।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment