ইউএনওর সই জালিয়াতি করে খাসজমি নিবন্ধন

[ad_1]

সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির এ তালিকায় আরও ৪২ জনের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। এই ৪২ জনের নামে ৭২ একর ৬৩ শতাংশ খাসজমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়েছে। সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির ইউএনওর স্বাক্ষর স্ক্যান করে নতুন তালিকা সাবরেজিস্ট্রারের কাছে জমা দেন। পরে সাবরেজিস্ট্রার খাসজমি কবুলিয়ত রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন।

সরকারি ওই খাসজমির আনুমানিক মূল্য ২৫ কোটি টাকা। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা বলেন, সার্ভেয়ার যে ৪২ জনের নামে কবুলিয়ত রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন, তাঁদের কাছ থেকে কয়েক লাখ টাকা করে নিয়েছেন।

এ নিয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে হুমায়ুন কবিরের মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, ‘তিনি (হুমায়ুন) কয়েক দিন ধরে কর্মস্থলে আসছেন না। অনুপস্থিতি ও অবৈধ উপায় অবলম্বন করে সরকারি খাসজমি অন্যদের নামে রেজিস্ট্রি করিয়ে দেওয়ার জন্য তাঁকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিয়েছি।’

ইউএনওর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে ভূমিহীনদের জন্য পাকা ঘর তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রত্যেক ভূমিহীনকে ২ শতাংশ করে খাসজমি উপজেলা সাবরেজিস্ট্রি কার্যালয়ের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে দেওয়া হয়েছে। যাঁদের নাম চূড়ান্ত করা হয়েছে, তাঁদের তালিকা উপজেলা সাবরেজিস্ট্রারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

সাবরেজিস্ট্রার তালিকা দেখে রেজিস্ট্রি করবেন, এটাই নিয়ম। সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ের সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবিরকে ভূমিহীনদের মধ্যে খাসজমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এ সুযোগে তিনি অতিরিক্ত ৪২ জনের নামে খাসজমি রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। এই ৪২ জনের নামে কোনো খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment