উৎপাদন কমছে চীন, কোরিয়া ও জাপানের কারখানায়ও

[ad_1]

এসঅ্যান্ডপি বলছে, নেদারল্যান্ডস ছাড়া পুরো ইউরো অঞ্চলের উৎপাদন কমছে। তবে এর মধ্যে জার্মানি, ইতালি ও ফ্রান্সে উৎপাদন হ্রাসের হার উদ্বেগজনক।

এদিকে জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চলতি বছরের প্রথমার্ধে জার্মানির খুচরা বিক্রি গত তিন দশকের মধ্যে সবচেয়ে বেশি হারে কমেছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, করোনাভাইরাসের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব—এসব কারণে এমনটা ঘটছে।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, এ বছরের তৃতীয় প্রান্তিকে ইউরো অঞ্চলের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি নয়, বরং সংকোচন হবে। তবে পিএমআইয়ের তথ্যে যা দেখা যাচ্ছে, সংকোচন ঠিক ততটা হবে না। তবে এবার সংকটের শুরুটা অতটা নড়বড়ে নয়, কারণ গত প্রান্তিকে ইউরো অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির হার ছিল প্রত্যাশার চেয়ে বেশি।

বিশ্ব অর্থনীতি যখন করোনাভাইরাসের প্রভাবমুক্ত হয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল, তখনই শুরু হলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। এতে গত বছরের শেষ ভাগ থেকে শুরু হওয়া মূল্যস্ফীতির পালে আরও হাওয়া লাগে। দেশে দেশে রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে মূল্যস্ফীতির সূচক। এই বাস্তবতায় মূল্যস্ফীতির লাগাম টানতে সবার হাতে একটাই অস্ত্র, সেটা হলো, নীতি সুদহার বৃদ্ধি। অন্যদিকে ব্যবসায়িক কোম্পানিগুলো ব্যয় হ্রাসের পথে হাঁটছে। এতে সব মিলিয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি কমে যাবে বলে আশঙ্কা।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment