উৎপাদন কমছে, লোকসান বাড়ছে, উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা

[ad_1]

দেশের শীর্ষস্থানীয় রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পের নিট পোশাক কারখানার প্রয়োজনীয় সুতার ৭৫-৮০ শতাংশ এবং ওভেন পোশাক কারখানার ৪০-৪৫ শতাংশ কাপড় সরবরাহ করে দেশীয় বস্ত্রকল। পাশাপাশি স্থানীয় বাজারেও সুতা-কাপড় সরবরাহ করে বস্ত্র খাত।

বিটিএমএর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে প্রায় পাঁচ শ স্পিনিং মিল রয়েছে। আর উইভিং বা কাপড় বোনার কারখানা রয়েছে প্রায় ৯০০টি। কাপড়ে রং করার ডাইং কারখানার ২৫০-৩০০টি।

বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে গত মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং জ্বালানি তেল আমদানি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। ডিজেলচালিত সব বিদ্যুৎকেন্দ্রও আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমেছে। আর বিদ্যুতের ঘাটতি পূরণে সারা দেশে নিয়ম করে লোডশেডিং করছে বিদ্যুৎ বিভাগ। এলএনজি আমদানি কমানোয় শিল্পকারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ করতে পারছে না তিতাস।

নারায়ণগঞ্জের একজন বস্ত্রকল মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বললেন, ‘আমাদের মিলে দিনে এক লাখ পাউন্ডের বেশি সুতা উৎপাদিত হয়। তবে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় বর্তমানে উৎপাদন ৫০ শতাংশের মতো কমে গেছে। উৎপাদন কমে যাওয়ায় পণ্যের খরচ বেড়েছে। তুলার দামও বাড়তি। ফলে সামনের দিনে আমাদের জন্য কী অপেক্ষা করছে বুঝতে পারছি না।’

[ad_2]

Source link

Leave a Comment