করোনার ঢেউ কি তবে বিদায়ের পথে

[ad_1]

শনাক্ত বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছিল মৃত্যুর সংখ্যাও। এ বছরের ২৫তম সপ্তাহে (২০ থেকে ২৬ জুন) দেশে করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ৯ জনের। পরের সপ্তাহেই এ সংখ্যা হয়েছিল ২২। এর পরের সপ্তাহে তা বেড়ে হয় ৩৮ জন। অবশ্য এর পর থেকে এ সংখ্যা কমতে থাকে। গত সপ্তাহে মৃত্যু কমে হয় ২৫।

জনস্বাস্থ্যবিদ অধ্যাপক বে-নজির আহমদ বলেন, ‘এবারের ঢেউ একেবারে শেষ হয়েছে বলব না। নতুন কোনো মিউটেশন হলে সংক্রমণ বাড়তে পারে। কিন্তু এটি নিশ্চিত করে বলা যায়, এ দফায় সংক্রমণ আর বেশি হবে না।’

এ দফায় বা করোনার পঞ্চম ঢেউয়ের সময় শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যাও আগের ঢেউগুলোর চেয়ে কম ছিল। যেমন করোনার চতুর্থ ঢেউ, অর্থাৎ চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে অমিক্রন ধরনের প্রকোপে ৯৬৫ জনের মৃত্যু হয়। আর পঞ্চম ঢেউয়ে গত জুন ও জুলাই মাসে মোট মৃত্যু হয় ১৬০ জনের।
বে-নজির আহমদ এবং আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এ এস এম আলমগীর মনে করেন, ক্রমে ক্ষীয়মাণ পঞ্চম ঢেউয়ের প্রকোপ কম হওয়ার পেছনে প্রধান ঢাল হিসেবে কাজ করছে টিকা।

এ এস এম আলমগীর বলছিলেন, ‘সাড়ে ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে বড় অংশকে টিকা দেওয়া হয়ে গিয়েছে। টিকা করোনাকে আটকাতে পারবে না, কিন্তু এ থেকে সুরক্ষা দিতে পারবে এবং তা পেরেছে। বাংলাদেশ ব্যাপক টিকাকরণের ফল পেয়েছে।’
স্বাস্থ্য বিভাগ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে দেশের মানুষকে করোনার টিকা দেওয়া শুরু করে।

করোনা সংক্রমণ মোকাবিলায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২২ সালের জুনের মধ্যে কোনো দেশের মোট জনসংখ্যার ৭০ শতাংশকে পূর্ণ দুই ডোজ টিকার আওতায় আনার কথা বলেছিল। জুন মাস শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সেই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, দেশে জনসংখ্যার ৭৬ শতাংশ করোনার টিকার প্রথম ডোজ এবং ৭১ শতাংশ দ্বিতীয় ডোজ টিকা পেয়েছে। আর ২৩ শতাংশ পেয়েছে বুস্টার ডোজ।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment