ঢাকায় মিলল নতুন মাদক ‘কুশ’ ‘মলি’ ‘হেম্প’

[ad_1]

র‍্যাব বলছে, ‘কুশ’ মারিজুয়ানা বা গাঁজার মতো একধরনের উদ্ভিদ। ওনাইসী ঢাকার মোহাম্মদপুরে তাপ নিয়ন্ত্রণ করে বিশেষ পদ্ধতিতে এই মাদকের চাষাবাদ করছেন। তিনি ‘কুশ’ উৎপাদনের পর সেটি বাজারজাতও করেছেন। তাঁর মোহাম্মদপুরের বাসায় র‍্যাব অভিযান চালিয়েছে। শুধু ‘কুশ’ নয়, ‘এক্সট্যাসি’, ‘হেম্প’, ‘মলি’, ‘এডারল’, ‘ফেন্টানিল’–এর মতো বিভিন্ন ধরনের মাদক বিদেশ থেকে দেশে এনে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজও করছেন ওনাইসী সাঈদ। এসব মাদকের প্রভাব সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে কিছু জানায়নি র‍্যাব।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব বলছে, বিভিন্ন অভিজাত ক্লাবে এসব মাদক সরবরাহ করতেন ওনাইসী। তিনি উচ্চবিত্ত পরিবারের সন্তানদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে এই মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করছিলেন। এসব মাদক তিনি কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে দেশে নিয়ে আসছেন।

র‍্যাব আরও বলছে, গুলশানে অভিযান চালিয়ে ওনাইসীর কাছ থেকে ১০১ গ্রাম কুশ, ৬ গ্রাম হেম্প, দশমিক শূন্য ৫ গ্রাম মলি, ১ গ্রাম ফেন্টানল, ১৮ গ্রাম কোকেন, ১২৩টি এক্সট্যাসি, ২৮টি এডারল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ও অর্ধলক্ষাধিক মার্কিন ডলারও উদ্ধার করা হয়েছে। পরে মোহাম্মদপুরের একটি ফ্ল্যাট থেকে তাপ নিয়ন্ত্রণ করে বিদেশি প্রজাতির কুশ উৎপাদনের প্ল্যান্ট ও সেটআপ উদ্ধার করা হয়। বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাতকরণের উদ্দেশ্যে তিনি এ কার্যক্রম শুরু করেন।

চার বছর ধরে ওনাইসী একটি ‘ক্লোজ’ গ্রুপের মাধ্যমে এসব মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করছেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে র‍্যাব। তাঁর অন্যতম সহযোগী কানাডাপ্রবাসী ফয়সাল নামের এক যুবক।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment