নির্বাচনকালীন সরকার নিয়েই বড় উদ্বেগ

[ad_1]

নির্বাচনের সময় মাঠপর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকেন সরকারি কর্মকর্তারা। বিশেষ করে পুলিশ, প্রশাসন ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের ভূমিকা ভোটের সময় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। সংলাপে অংশ নিয়ে ১২টি দল স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্থানীয় সরকার, প্রতিরক্ষা, অর্থসহ গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্ত্রণালয় নির্বাচনের সময় সরাসরি ইসির অধীনে আনার প্রস্তাব করেছে। এসব প্রস্তাব দিয়েছে ইসলামী ফ্রন্ট, কংগ্রেস, জাসদ, সাম্যবাদী দল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, তরীকত ফেডারেশন, ওয়ার্কার্স পার্টি, খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, খেলাফত আন্দোলন ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ।

ওয়ার্কার্স পার্টির প্রস্তাবে স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচনসংক্রান্ত কাজের জন্য নির্বাচনের সময়ে ইসির অধীনে নেওয়ার কথা বলেছে। দলটি বলেছে, নির্বাচনের আগের তিন মাস ও পরের তিন মাস নির্বাচনে যুক্ত ব্যক্তিদের বদলি, পদোন্নতি ও কর্তব্যে অবহেলার জন্য শাস্তি প্রদানের কর্তৃপক্ষ হিসেবে ইসি কাজ করবে। এ জন্য সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন হবে না বলেও মনে করে দলটি।

তরীকত ফেডারেশন বলেছে, স্বরাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ইসির তত্ত্বাবধানে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনের প্রস্তাব দিয়েছে। আর জাসদ নির্বাচনের সময় ইসির চাহিদামতো নির্বাহী বিভাগকে ইসির অধীনে ন্যস্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment