৩৫ ঘণ্টা পর চবিতে ছাত্রলীগের একাংশের অবরোধ প্রত্যাহার

[ad_1]

মহিবুল হাসান চৌধুরী তাঁর স্ট্যাটাসে বলেন, ছাত্রসংগঠনের পদপদবি বিষয়ে কোনো দাবিদাওয়া থাকলে সংগঠনের যেকোনো কর্মী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। কোনো সাংগঠনিক দাবি থাকলে সেটি সংগঠনকে সঙ্গে নিয়ে সমাধান করা যায়। কিন্তু সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ বিনষ্ট করা, ভাঙচুর করা, অপহরণ করা, অপরাধের হুমকি দেওয়া, হত্যার হুমকি দেওয়া কোনোভাবেই ছাত্রসংগঠনের আদর্শিক কর্মীর কাজ হতে পারে না। যাঁরা এসব করছেন, তাঁরা ব্যক্তিস্বার্থেই অরাজকতা করছেন। তাঁদের কাছে সংগঠন বা শিক্ষার মূল্য আছে বলে মনে হয় না। নিজেদের সাংগঠনিক দাবিতে অপরাধমূলক সহিংসতা যাঁরা করছেন, তাঁদের বিষয়ে সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অত্যন্ত কঠোর হওয়া প্রয়োজন।

ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাসের বিষয়ে জানতে চাইলে মহিবুল হাসান চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নাম ব্যবহার করে যাঁরা উপদল করেন, সংগঠনের মধ্যেও যাঁরা সংগঠন করেন বা অন্য কারও নাম ব্যবহার করে যাঁরা উপদল করেন, এটা তাঁদের জন্য বার্তা। সাংগঠনিক কোনো বিষয় থাকলে তাঁদের জন্য কেন্দ্রীয় সভাপতি, সম্পাদক রয়েছেন। তিনি তো আর ছাত্রলীগ করেন না। তিনি ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রকও নন। তাঁর নামে কোনো পক্ষ হোক, সেটা চান না। সেটাও কাম্যও নয়। এগুলো সরাসরি অপরাধমূলক কাজ।

শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, যাঁরা পদের দাবিতে ভাঙচুর করবেন, বিক্ষোভ করবেন, তার মানে সেই পদের মধ্যে নিশ্চয়ই তাঁর কোনো প্রাপ্তি আছে। সেই পদ ব্যবহার করে ভবিষ্যতে তিনি চাকরির কোটা ব্যবহার করবেন, বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজ করার চেষ্টা করবেন। কারণ, ছাত্রলীগের পদে তো কোনো বেতন নেই।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment