ইভিএমের মাধ্যমে ভোট ‘ডাকাতি’ করে ক্ষমতায় আসতে চায় সরকার

[ad_1]

ইভিএম প্রসঙ্গে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা তো এটা চাই–ই না।’
ইভিএম মেশিনের সংকট তুলে ধরে খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, এ ইভিএম মানুষ তৈরি করেছে। মানুষ এটাকে যেভাবে কমান্ড দেবে, ইভিএম সে অনুযায়ী চলবে। এটাই সফটওয়্যারের নিয়ম। ভোট দেবেন ধানের শীষে, চলে যাবে নৌকায়—এটা খুব কঠিন কিছু নয়। দেশের ইভিএম মেশিনে ভোটের পর পেপার দেওয়া হয় না। অন্যান্য দেশে এটা করা হয়। একজন ভোটার ভোট দেওয়ার পর যে কাগজ আসে তাতে দেখতে পান, তিনি কত নম্বর ভোটার, কাকে ভোট দিলেন। অথচ এ ব্যবস্থা দেশের মেশিনে নেই। অর্থাৎ, প্রথম থেকেই ইভিএমের উদ্দেশ্য হচ্ছে ডাকাতি।

সভায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ইভিএম কোনো কাজের জিনিস নয়। তাহলে সরকার চায় কেন? আসলে সরকার না চেয়ে করবে কী? যে পদ্ধতিতে গত দুটি নির্বাচন তারা ডাকাতি করে নিয়ে গেছে, সেই পদ্ধতি যে এবার চলবে না, তা খুব স্পষ্ট। কিন্তু সরকার যেকোনো প্রকারে ক্ষমতায় থাকতে চায়। এ জন্য তারা ইভিএমে ভোট চায়। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে লড়াই ছাড়া বিকল্প নেই।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও সংসদ সদস্য হারুনুর রশীদ বলেন, ‘বিএনপির শীর্ষ নেতাদেরও যদি নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব দেওয়া হয় এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকলে ওই নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারবে না। এ জন্য নির্বাচন কমিশন ও ইভিএম নিয়েও আমরা আলোচনা করতে চাই না।’ তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে। এটিকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে গেলে নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারব্যবস্থা আনতে হবে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment