ক্যারিয়ার গড়লে কি পরিবার গড়া যায় না?

[ad_1]

সময়ের এক ফোঁড়

আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিলের মানবসম্পদ বিভাগের সমন্বয়ক তাসনিম ফারজানা ভাগ করে নিলেন নিজের অভিজ্ঞতা। শোনালেন একই সঙ্গে কীভাবে সামলাচ্ছেন পরিবার ও ক্যারিয়ার। মা হওয়ার আগে কর্মঘণ্টার বাইরেও স্বেচ্ছায় কর্মস্থলের বাড়তি দায়িত্ব পালন করতেন তিনি, অনলাইনে খেয়াল রাখতেন অফিসের নানান দিক। কিন্তু মা হওয়ার পরের জীবনে সন্তানের জন্য রাখা সময় থেকে কর্মস্থলকে আর আগের মতো বাড়তি সময় দিতে পারেন না। প্রতিষ্ঠানকে নিজের এই বাস্তব পরিস্থিতির কথা জানিয়েও রেখেছেন তিনি, তাই কর্মস্থল থেকেও কর্মঘণ্টার বাইরে নিতান্ত জরুরি না হলে ফোন আসে না তাসনিমের কাছে। কাজের সময় নিজেকে যেমন উজাড় করে দেন, তেমনি কাজের পরের সম্পূর্ণ সময়টাই পারিবারিক। মুঠোফোন থেকে অফিসের ই–মেইল দেখার অপশনটিও বন্ধ করে রেখেছেন। বাড়ি ফিরে কন্যার সঙ্গে গুণগত সময় কাটাতে চেষ্টা করেন। তিন বছর বয়সী কন্যার সঙ্গে খেলাধুলা তো করেনই, ঘুমের আগে তার সঙ্গে বই পড়েন।

সময় ব্যবস্থাপনা

সকালে একটু সময় হাতে নিয়েই বের হন তাসনিম ফারজানা। কর্মস্থলে যাওয়ার পথে কন্যাকে নামিয়ে দেন শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে (ডে–কেয়ার সেন্টার), কাজ শেষে তাকে নিয়ে ঘরে ফেরেন। ফেরার পথে বাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় কেনাকাটাও সেরে নেন। মা-বাবা যখন রাতের খাবার খেতে বসেন, তখন তাঁদেরও একটু সঙ্গ দেন। ছুটির দিনগুলোতে নিজের বন্ধুদের সঙ্গে এমন কোথাও আড্ডা দেন, যেখানে সবার সন্তানেরা একসঙ্গে খেলাধুলার সুযোগ পায়। মা-বাবার জন্য প্রায়ই বাইরে থেকে খাবার আনেন ছুটির দিনে। সেসব খেতে খেতে সবাই মিলে সময় কাটান পারিবারিক পরিবেশে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment