খাদ্যের বাড়তি খরচে ঋণ সংকটে পড়বে অনেক দেশ

[ad_1]

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের কথা উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। বরা হয়েছে, জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয় বেড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত ব্যয়ভার মেটাতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের(আইএমএফ) দ্বারস্থ হচ্ছে। তবে বাংলাদেশ ৪৫০ কোটি ডলারের ঋণ চাইলেও বিদ্যমান ব্যবস্থায় ১০০ থেকে ১৫০ কোটি ডলার ঋণ মিলবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুদ্ধের প্রভাব তো আছেই, সেই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের অভ্যন্তরীণ অবস্থার কারণেও পরিস্থিতির আরও অবনতি হচ্ছে। এ প্রসঙ্গে লেবাননের কথা বলা হয়েছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে। দেশটির রাজধানী বৈরুতে দুই বছর আগে খাদ্যগুদামে বিস্ফোরণ ঘটলে তাদের খাদ্য সংরক্ষণের সক্ষমতা বিনষ্ট হয়। এ বাস্তবতায় চলতি বছরের মার্চ-জুন সময়ে দেশটির খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৩৩২ শতাংশ। একই সময়ে আফ্রিকার দেশ জিম্বাবুয়ের খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ২৫৫ শতাংশ, ভেনেজুয়েলার ১৫৫ শতাংশ ও তুরস্কের ৯৪ শতাংশ। শুধু খাদ্য নয়, লেবাননের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিও কম নয়, ১৫০ শতাংশ। এ বাস্তবতায় বড় বিপাকেই পড়েছে দেশটির মানুষ।

বিশ্বব্যাংকের খাদ্যনিরাপত্তাবিষয়ক হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, ২০২১ সালের জানুয়ারি মাসের তুলনায় ২০২২ সালের ২৯ জুলাই কৃষিপণ্যের মূল্যসূচক ১৯ শতাংশ বেড়েছে। ভুট্টা ও গমের মূল্যসূচক যথাক্রমে ১৬ ও ২২ শতাংশ বেড়েছে। তবে চালের দাম বিশ্ববাজারে ১৪ শতাংশ কম।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment