গালি দিতে নিষেধ করায় মাদ্রাসাশিক্ষককে মারধর

[ad_1]

খবর পেয়ে নাটোরের জেলা প্রশাসক শামীম আহমেদও দুপুরে ঘটনাস্থলে যান। তিনি মাদ্রাসায় উপস্থিত শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করেন, কাল বৃহস্পতিবার একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ক্লাস হবে। সঙ্গে পুলিশি পাহারা থাকবে। সবাই যেন ক্লাসে উপস্থিত থাকেন। এ সময় শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

বিকেল পাঁচটার দিকে আহত শিক্ষক নাটোর সদর থানায় এসে চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান কালু এবং তাঁর ছেলে মো. জয়সহ সাতজনকে আসামি করে মামলা করেন। তবে ঘটনার আসামিরা সবাই গা ঢাকা দেওয়ায় পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

আহত শিক্ষক মো. জাফর বরকত প্রথম আলোকে বলেন, তিনি ওই মাদ্রাসায় ২৫ বছর ধরে শিক্ষকতা করছেন। সম্প্রতি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি পরিবর্তন করার জন্য চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান অধ্যক্ষকে চাপ দিয়ে আসছিলেন। একই উদ্দেশ্যে তিনি তাঁর সহযোগীদের নিয়ে সকালে মাদ্রাসায় যান। অধ্যক্ষকে না পেয়ে তিনি অধ্যক্ষ ও পরিচালনা কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করছিলেন। বিরক্ত হয়ে তিনি গালি দিতে নিষেধ করেন। এতে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন। একপর্যায়ে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে ইউপি ভবনে আটকে রাখেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চান।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment