ছাত্রলীগের নিয়ন্ত্রণে হল, সিট পান না সাধারণ শিক্ষার্থীরা

[ad_1]

লালন শাহ হলের প্রাধ্যক্ষ ওবায়দুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার একার পক্ষে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়। উদ্যোগ নিলে নানা প্রতিবন্ধকতা আসে। সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদেরও সচেতন হতে হবে।’

২০২১ সালের তথ্য অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৭ হাজার ৬৮৯ শিক্ষার্থী আছেন। ছেলেদের ৫টি ও মেয়েদের ৩টিসহ মোট ৮টি হলে আবাসিক সিটের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ৪৯১টি। ফলে সিংহভাগ শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বাইরে কুষ্টিয়া ও ঝিনাইদহ জেলায় মেসে থাকেন।

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, হলে সিট পেতে হলে ছাত্রলীগ নেতাদের ডাকা মিটিং, মিছিল ও সমাবেশে যেতে হয়। সেখানে তিন থেকে চার মাস যাতায়াতের পর সিদ্ধান্ত আসে তিনি সিট পাবেন কি পাবেন না। নেতাদের কথার বাইরে গেলে কখনো সিট পাওয়ার আশা করা যায় না। আর যাঁরা সিট পেয়ে যান, তাঁরাও থাকেন বিপদে। এক কক্ষে চারজন বরাদ্দ থাকলেও সেখানে আটজন করে থাকতে হয়।

ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের কমিটি ছিল না। গত ৩১ জুলাই রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ২৪৫ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ। ওই কমিটির সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী ওরফে আরাফাত প্রথম আলোকে বলেন, হলগুলোতে কিছু বিশৃঙ্খলা আছে। তবে ঢালাও অভিযোগ সত্য নয়। কমিটি না থাকায় সেভাবে কাজ করা যায়নি। তাঁরা সব সময় চান যাঁরা মেধাবী এবং যোগ্য, তাঁরাই হলে সিটে থেকে পড়াশোনা করবেন।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment