তাঁদের মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়?

[ad_1]

মানিকের আত্মহত্যার রেশ ধরে কথা বলতে শুরু করি সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজের ছাত্র-ছাত্রী, গবেষক আর সন্তানহারা বাবা-মা ও স্বজনদের সঙ্গে। খোঁজ নিতে গিয়ে জানতে পারি, মানিক শুধু একা নন; মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রায় এক–চতুর্থাংশ শিক্ষাজীবনের কোনো না কোনো সময় আত্মহত্যার কথা ভাবেন।

আত্মঘাতী হয়েছেন কিংবা বিষণ্নতায় ভুগেছেন—এমন শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে খোঁজ নিতে গিয়ে মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে, বলিউডের জনপ্রিয় সিনেমা ‘থ্রি ইডিয়টস’-এর গল্প শুনছি নতুন করে। বুঝতে পারি, আমাদের তরুণদের বড় অংশের ইচ্ছা-অনিচ্ছাকে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র প্রায়ই উপেক্ষা করে। কখনো কখনো ভালো ফল করতে না পেরে কেউ কেউ বিষণ্নতায় ভোগেন, কেউ ঝরে যান, কেউ আবার অপ্রত্যাশিত মৃত্যুকে বেছে নেন।

বেসরকারি সংস্থা আঁচল ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদন বলছে, শুধু ২০২০ সালে দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ১২ শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন।

উত্তরার মেডিকেল কলেজ ফর উইমেন অ্যান্ড হসপিটালের প্রাণরসায়ন বিভাগের শিক্ষক মিলিভা মোজাফফরের এক গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে মেডিকেল কলেজে পড়া শিক্ষার্থীদের প্রায় ২৪ শতাংশ শিক্ষাজীবনের কোনো না কোনো সময়ে আত্মহত্যার কথা ভাবেন। এই হার বেশ উদ্বেগজনক।

মিলিভা মোজাফফরের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি খ্যাতনামা চিকিৎসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গবেষকেরা বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ৫৮৩ শিক্ষার্থীর ওপর ‘বাংলাদেশের মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আত্মঘাতী আচরণ’ শীর্ষক ওই গবেষণা করেন।

মিলিভা মোজাফফর বলেন, একই বয়সের সাধারণ শিক্ষার্থীদের তুলনায় মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা বেশি বিষণ্নতায় ভোগেন। মেডিকেলের লেখাপড়া শ্রান্তিকর। দৈনন্দিন জীবনে এর একটা প্রভাব পড়ে। বিষণ্নতা, শারীরিক অসুস্থতা, পরিবারে আত্মহত্যার ইতিহাস অনেককে আত্মঘাতী হওয়ার দিকে ঠেলে দেয়।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment