তাইওয়ান নিয়ে নিরাপত্তা–উদ্বেগে চীন | প্রথম আলো

[ad_1]

রাজধানী তাইপের একটি বিমানবন্দরে পেলোসির সামরিক উড়োজাহাজ অবতরণের কয়েক দিন আগে থেকেই আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করে আসছিল বেইজিং। তাইওয়ান সফর করলে পরিণাম ভোগ করার হুমকি দেওয়াসহ সামরিক শক্তি প্রদর্শনও করেছিল চীন। তাইওয়ান প্রণালিতে গত কয়েক দিনে সামরিক মহড়াও করেছে দেশটি। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমস-এর সাবেক প্রধান সম্পাদক হু সিজিন বলেছিলেন, বেইজিং জোরপূর্বক পেলোসির উড়োজাহাজকে সরিয়ে দিতে পারত বা গুলি করে ভূপাতিত করতে পারত।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, বেইজিংয়ের এই রুদ্রমূর্তির পেছনে ছিল তাদের নিরাপত্তা-উদ্বেগ। তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং দ্বীপটির স্বাধীনতাকে উৎসাহিত করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা মিত্রদের ক্রমবর্ধমান প্রচেষ্টাকে চীনের শাসকেরা হুমকি হিসেবে দেখে আসছেন। একই সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং নিজেদের সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শক্তি প্রদর্শনে তৎপর ছিলেন। এর পেছনে অবশ্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যও ছিল। কিছুদিনের মধ্যে বেইজিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে তৃতীয় মেয়াদে নিরঙ্কুশ ক্ষমতা সুরক্ষিত করতে চান সি। সেই সম্মেলনের আগে শক্তি দেখাতে চেয়েছিলেন সি।

গত সপ্তাহে সি মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রকে তাইওয়ান প্রসঙ্গে ‘আগুন নিয়ে না খেলতে’ সতর্ক করেছিলেন। লন্ডনের এসওএএস চায়না ইনস্টিটিউটের পরিচালক স্টিভ সাং বলেন, সামনে ২০তম পার্টি কংগ্রেসে ক্ষমতা সুসংহত করার আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বার্তাটি সির অভ্যন্তরীণ ভাবমূর্তিকে শক্তিশালী করতে কাজ করবে। সি যে জিনিসটি দেখাতে চান তা হলো, তাঁদের দুর্বলতার কোনো লক্ষণ নেই।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment