বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানি নেতৃত্বের অনেক কিছু শেখার আছে

[ad_1]

নিবন্ধে সম্প্রতি উদ্বোধন করা পদ্মা সেতুর প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ‘গর্ব ও সক্ষমতার প্রতীক’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

সাহিবজাদা রিয়াজ নূর নিবন্ধে লিখেছেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী রাজনীতির সঙ্গে অর্থনৈতিক নীতির ভারসাম্য রক্ষার দিকে মনোনিবেশ করেন। তিনি বাজারভিত্তিক পুঁজিবাদী প্রবৃদ্ধির পথে হাঁটেন। অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাওয়া এশিয়ার অন্য দেশগুলো থেকে তিনি শিক্ষা নিয়েছেন। এসব দেশের অর্থনৈতিক সাফল্য এসেছে চারটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তি করে। এগুলো হচ্ছে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, সামাজিক উন্নয়ন, রপ্তানিনির্ভর প্রবৃদ্ধিভিত্তিক বাণিজ্য উদারীকরণ ও অর্থনৈতিক সংযম।

নিবন্ধে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদারীকরণের প্রশংসা করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টির কথা বলা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে একটি সম্মেলনে শেখ হাসিনার বক্তব্য তুলে ধরা হয়েছে। ওই সম্মেলনে একজন অর্থনীতিবিদ শেখ হাসিনাকে বাণিজ্য উদারীকরণের সুবিধা সম্পর্কে বলতে শুরু করেন। তখন তিনি তাঁকে বলেন, ‘বাণিজ্য উদারীকরণের বিষয়ে আপনার আমাকে বোঝাতে হবে না। যখন আমি যুগোস্লাভিয়ার সীমান্তবর্তী ইতালীয় শহর ত্রিয়েস্তে ছিলাম তখন দেখেছি সীমান্ত সপ্তাহে তিনবার খোলা হচ্ছে এবং দুই পাশ থেকে লোকজন যাতায়াত করছে, পণ্য কিনছে এবং ফিরে আসছে।’ এটা প্রমাণ করে, রাজনীতিবিদেরা অন্য যেসব বিষয়ে আকৃষ্ট, সেগুলোর থেকে অর্থনীতিতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment