ভারতে ইডির বিপুল ক্ষমতাকে বিপজ্জনক বলছে বিরোধীরা

[ad_1]

সুপ্রিম কোর্টের রায় যাতে ক্ষণজীবী হয়, সে জন্য বিরোধীরা সর্বোচ্চ আদালতে ‘রিভিউ পিটিশন’ দাখিলের ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছে। বিরোধী নেতারা রাষ্ট্রপতির শরণাপন্নও হতে পারেন।

আর্থিক নয়ছয় প্রতিরোধ আইন বা ‘প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট’–এর (পিএমএলএ) সংশোধন ইডিকে প্রভূত ক্ষমতাশালী করে তুলেছে। ইডি সাধারণত অর্থ নয়ছয় ও পাচারসংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগের তদন্ত করে। ওই সংশোধনের ফলে ইডিকে ‘পিএমএলএ’ মামলায় যেকোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ, তল্লাশি ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তারা অভিযুক্ত ব্যক্তির সম্পত্তিও বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। আইন সংশোধনের ফলে অভিযোগ প্রমাণের দায়ও বর্তেছে অভিযুক্তের ওপর। ওই সংশোধনকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আড়াই শতাধিক মামলা হয়েছিল। গত ২৭ জুলাই সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ এম খানবিলকর সেসব আরজি খারিজ করে জানান, পিএমএলএ মামলায় ইডি সব ক্ষমতার অধিকারী। দেশের স্বার্থে তাদের হাতে এমন ক্ষমতা থাকা প্রয়োজন। বিচারপতি এ মন্তব্যও করেন যে অর্থ পাচার দেশের সার্বভৌমত্বের ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। কারণ, তাতে সন্ত্রাসবাদীদের হাত শক্ত হয়। ওই রায়ের পরই বিচারপতি খানবিলকর অবসর গ্রহণ করেন।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment