রাশিয়ার জ্বালানি-অস্ত্রের হুমকি, কী করবে ইউরোপ

[ad_1]

বিশ্বে সর্বশেষ দেখা দেওয়া জ্বালানিসংকটের সময় ইউরোপ ও এর মিত্রদের হাতে তেলের বাজারের বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ ছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যের তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ করত ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র। সে সময়ে ব্রিটিশ সরকার পেট্রোলিয়াম যুদ্ধসংক্রান্ত বিভাগ এবং পেট্রোলিয়াম বোর্ড গঠন করেছিল। এর মধ্য দিয়ে যুদ্ধকালে জ্বালানির সরবরাহ অব্যাহত রাখার জন্য সব মিত্রদেশের জ্বালানি সংস্থাকে এক ছাতার নিচে আনা হয়েছিল।

আজ বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহব্যবস্থার মালিকানা আরও বহুমুখী। সে কারণেই শীত আসার আগেই জ্বালানি খাতে বিশ্বের প্রধান প্রধান রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা ও ব্যক্তিমালিকানাধীন কোম্পানিগুলোকে একত্রে বসে একটা কৌশল প্রণয়ন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু সুযোগগুলো হেলায় হারানো হচ্ছে।

গত জুনে জি-৭ সম্মেলনে গ্যাস উৎপাদনে চুক্তি করতে ব্যর্থ হয়েছেন নেতারা। আসছে নভেম্বর জি-২০ সম্মেলনে জ্বালানিক্ষেত্রে বড় কোনো অগ্রগতি হবে, এমনটা আশা করা যায় না।

তবে ইউরোপীয় নেতাদের সামনে একটি সুযোগ রয়েছে। সেপ্টেম্বর মাসে ইতালির মিলানে গ্যাসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জ্বালানিমন্ত্রী এবং শিল্প খাতের নির্বাহীরা থাকবেন। এর পরপরই জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন। জ্বালানি কূটনীতির সুযোগ কাজে লাগাতে হলে এখন থেকেই প্রস্তুতি দরকার।

আল-জাজিরা থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে অনুবাদ মনোজ দে

ম্যাক্সিমিলান হেস ফরেন পলিসি রিসার্চের ফেলো

[ad_2]

Source link

Leave a Comment