চলন্ত বাসে ডাকাতিকালে যা ঘটেছিল

[ad_1]

হেকমত আলীর ভাষ্য, বাসের পেছনের দিক থেকে তিন সিট সামনে বসে ছিলেন তিনি। তাঁর হাত বাঁধা। তাঁর থেকে দুই হাত দূরে এক নারীকে তল্লাশি করার সময় ওই নারী প্রতিবাদ করেন। ওই নারী ডাকাত দলকে বলেন, ‘তোরা যে কাজ করছিস সেটা ঠিক না। আমার এলাকা পাবনায় হলে তোদের দেখে নিতাম।’ এ কথা শোনার পর দুই তরুণ ওই নারীকে মারধর করেন এবং শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন।

হেকমত আলীর স্ত্রী জেসমিন আরা বলেন, তিনি সিটে তাঁর এক সন্তানকে বুকে জড়িয়ে মাথা নিচু করে সৃষ্টিকর্তার নাম নিচ্ছিলেন। সামনে আরেক সিটে তাঁর মা বসেছিলেন আরেক সন্তানকে নিয়ে। তাঁর হাত, চোখ, মুখ বাঁধা ছিল। তাদের এক শিশু কান্না করলে তরুণ দলের একজন এসে বলেন, ‘এই কাঁদিস না, আমাদের মতো ছিনতাইকারী হোস না!’

[ad_2]

Source link

Leave a Comment