চীন কেন তাইওয়ানের চিপশিল্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয় না

[ad_1]

যেমন করোনার উৎপত্তিসংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়া থেকে ২০২০ সালে গরুর মাংস, মদ ও যব আমদানি স্থগিত করে চীন। কিন্তু সে সময় ইস্পাত তৈরির কাঁচামালের জোগান দিতে লোহার আকরিকের আমদানি ঠিকই তারা অব্যাহত রেখেছিল।

ভবিষ্যতে চীন কি তাইওয়ানের চিপশিল্পকে লক্ষ্যবস্তু বানাবে
তাইওয়ান কত দিন এই শিল্প খাতে আধিপত্য ধরে রাখতে পারবে, তা নিশ্চিত নয়। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বিদেশি প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতাকে ‘ভয়ংকর বিপদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন, যার মুখোমুখি এখন দেশটি। একই সঙ্গে তিনি এ খাতে স্বনির্ভরতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

‘মেড ইন চায়না’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে বেইজিং ২০২০ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে চিপ তৈরিসহ হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিতে ১ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

টেকনডের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২০ সালেই চীন এই ধরনের কোম্পানিগুলো ২২৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন ইউয়ান (৩৩.৭ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগ পেয়েছে; যা আগের বছরের তুলনায় চার গুণ বেশি।

সরকারি তথ্য অনুসারে, গত বছর চীনের ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) উৎপাদন বেড়েছে ৩৫৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন ইউনিট। যা আগের বছরের তুলনায় ৩৩ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment