পুলিশের গুলিকে ‘বার্তা’ হিসেবে দেখছে বিএনপি

[ad_1]

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘শক্তি প্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন ছাড়া ক্ষমতায় থাকার তো তাদের (সরকারের) আর কোনো সুযোগ নেই।’ অবশ্য ভোলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম সেদিন সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিএনপির সমাবেশের অনুমতি ছিল, কিন্তু বিক্ষোভ মিছিলের অনুমতি ছিল না। বিএনপি মিছিল বের করে পুলিশের ওপর চড়াও হয়। তাদের কাছে অস্ত্র ছিল। তারা অস্ত্র তাক করলে পুলিশ গুলি ও কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।

পুলিশের এ বক্তব্য গ্রহণযোগ্য নয় বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪–দলীয় জোটের শরিক বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘পুলিশের বক্তব্য আমি গ্রহণ করি না। তারা বলছে, সমাবেশের অনুমতি ছিল, মিছিলের অনুমতি ছিল না। এত অনুমতি নিয়ে বাংলাদেশে কবে রাজনীতি হয়েছে, তা আমার জানা নেই। তারা শান্তিপূর্ণভাবে নিয়মমাফিক মিছিল করলে তো আপত্তি নেই।’ মেনন বলেন, ‘দেশ তো সংঘাতের অবস্থায় নেই, কিন্তু ঘটে গেল। গুলি তো হয়েছে, এটা সত্য। এখন গুলিতে মারা গেছে, নাকি ইটের আঘাতে মারা গেছে, এটা পরের বিষয়।’

অবশ্য ভোলার ঘটনা সম্পর্কে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছেন, বিএনপি লাশ সৃষ্টি করতে চায়, এর অংশ হিসেবে ভোলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তাঁর দাবি, পুলিশকে অবহিত না করেই আগস্ট মাস শুরুর আগে ভোলায় বিএনপি মিছিল-সমাবেশ করেছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment