যে নদে সাঁতরে প্রতিদিন স্কুলে যেতেন, সে নদেই গেল প্রাণ

[ad_1]

স্থানীয় বাসিন্দা রবিন রায় বলেন, ‘নদে সারা বছরই হাঁটুপানি থাকে। আমরা সব সময় হেঁটেই নদ পার হই। এখন বর্ষার কারণে নদে পানি বেড়েছে। তা ছাড়া কয়েক দিনের বৃষ্টিতে নদে স্রোতও বেড়েছে। ওই শিক্ষক নদে নেমে স্রোতে তালিয়ে গেছেন বলে ধারণা করছি।’

দক্ষিণ বঠিনা ইসলামপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক প্রবীর চন্দ্র বর্মণ বলেন, ১৯৯৩ সালের ১৫ অক্টোবর বিদ্যালয়টিতে সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন তৈলক্ষ্য বর্মণ। তিনি মোটরসাইকেল নিয়েই বিদ্যালয়ে আসতেন। কিন্তু কয়েক মাস ধরে তাঁর শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় তিনি মোটরসাইকেল ছেড়ে পায়ে হেঁটে বিদ্যালয়ে আসা শুরু করেন। পানি কম থাকলে হেঁটে আর পানি বেশি থাকলে সাঁতরেই নদ পার হতেন তিনি।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment