হ্যাপি হরমোনে মনের সতেজতা | প্রথম আলো

[ad_1]

হেলথলাইনের তথ্য অনুসারে, সাধারণভাবে কয়েক ধরনের হরমোনকে হ্যাপি হরমোন বলা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ডোপামিন, সেরেটোনিন, অক্সিটোসিন, এন্ডোরফিন ইত্যাদি। ডোপামিন ‘ফিল-গুড’ হরমোন হিসেবে পরিচিত, কারণ তা আনন্দের অনুভূতি দিতে সক্ষম। মন ফুরফুরে ও সতেজ রাখতে এর জুড়ি নেই। আবার সেরোটোনিন হরমোন আমাদের মেজাজ, ঘুম, ক্ষুধা ও হজমের বেশ কিছু দিক নিয়ন্ত্রণ করে। এরপরই আসে সবার মুখে মুখে ফেরা ‘লাভ হরমোন’ অক্সিটোসিনের কথা। সম্পর্কের মধ্যে বিশ্বাস, পারস্পরিক সহানুভূতি ও বন্ধনের মতো মানবীয় বিষয়ে কলকাঠি নাড়ার ক্ষেত্রে অক্সিটোসিনের ভূমিকা রয়েছে। এদিকে এন্ডোরফিন হচ্ছে ব্যথা উপশমকারী হরমোন, যা প্রবল মানসিক চাপের সময়ও নিঃসৃত হয়। আমরা যখন ব্যায়াম করি বা ধ্যান করি, তখন এর নিঃসরণ বেড়ে যায়। কেউ যখন সুখ বা আনন্দ অনুভব করে, তখন এর উৎপাদন বেড়ে যায়। নিজেকে পুনরুজ্জীবিত করা এবং ইতিবাচক চিন্তাভাবনা বাড়ানোর জন্য সাপ্তাহিক রুটিন বানিয়ে নেওয়া যায়। আগে খুঁজে বের করতে হবে কোন বিষয়গুলো স্ট্রেস কিংবা বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অনেক সময় হরমোনের ভারসাম্যহীনতার কারণে সঠিক খাবার, ঘুম, ব্যায়াম—সব ভেস্তে যাচ্ছে। সুতরাং সপ্তাহের রুটিনে ডোপামিন, সেরোটোনিন, অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিনের মতো হ্যাপি হরমোন উৎপাদন করতে উৎসাহিত করে—এমন কাজ যোগ করতে হবে।
প্রাকৃতিকভাবে এই হরমোনগুলোর ভারসাম্য বজায় রাখার কিছু কৌশল জেনে নেওয়া যেতে পারে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment