তিন মাসে লক্ষ্যমাত্রার মাত্র ১৫ শতাংশ ধান সংগ্রহ

[ad_1]

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোর কার্যালয় সূত্র জানায়, কৃষকদের একটি করে কৃষি কার্ড আছে। ওই কার্ডে কৃষকের নাম, পরিচয় ও তাঁর চাষ করা জমির পরিমাণ উল্লেখ রয়েছে। জেলায় কার্ডধারী কৃষকের ব্যাংকে ১০ টাকার হিসাব রয়েছে। ধান কেনার পর কৃষকের ব্যাংক হিসাবে টাকা দেওয়া হয়। কৃষক ব্যাংক হিসাব থেকে টাকা তোলেন।

যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার আগড়া গ্রামের কৃষক আবদুল মজিদ এবার ১০ বিঘা (৫২ শতকে বিঘা) জমিতে জিরা মিনিকেট এবং রড-৩ ধান চাষ করে ৩০০ মণ ধান পেয়েছেন। নিজেদের খাওয়ার ৫০ মণ ধান রেখে অবশিষ্ট ২৫০ মণ ধান তিনি ১ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে বিক্রি করেছেন। তিনি বলেন, ‘এবার সরকারি দামের চেয়ে বাজারে ধানের দাম বেশি। সরকারি গুদামে ধান দেওয়া বেশ ঝামেলার। আর্দ্রতার কথা বলে অনেক সময় ধান ফেরত দেওয়া হয়। এতে সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু স্থানীয় বাজারে এসব ঝামেলা নেই। নগদ দামও পাওয়া যায়। এ জন্য সব ধান স্থানীয় বাজারে বিক্রি করে দিয়েছি।’

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর সূত্র জানায়, চলতি বোরো সংগ্রহ মৌসুমে যশোর জেলায় কৃষকের কাছ থেকে ২০ হাজার ৭২৮ মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া জেলায় ২৬ হাজার ৫৯২ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে ধান এবং গত ১২ মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে এবং তা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। চাল সরবরাহের জন্য ২৫৭ জন চালকলের মালিক চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। চাল ৪০ টাকা ও ধান ২৭ টাকা কেজি দরে কেনা হচ্ছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment