মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা | প্রথম আলো

[ad_1]

হাসপাতাল প্রশাসন বলছে, এখানে পদ আছে ৪৩ জনের। বর্তমানে চিকিৎসক আছেন মাত্র ১১ জন। বাকি ৩২টি পদ শূন্য। এর মধ্যে ২১ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক পদের ১৭টিই শূন্য। আর চিকিৎসা কর্মকর্তার ১৯টি পদের মধ্যে ১৪টি শূন্য। জ্যেষ্ঠ ও কনিষ্ঠ ২১ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মধ্যে নাক কান গলা, শিশু, গাইনি, প্যাথলজিস্ট, মেডিসিন, চক্ষু, কার্ডিওলজির, অ্যানেসথেটিস্ট, অর্থোপেডিকস, রেডিওলজিস্ট ও সার্জারি বিভাগের চিকিৎসকের পদ শূন্য।

এই হাসপাতালে একজন তত্ত্বাবধায়ক, একজন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও), একজন হোমিও চিকিৎসক, চারজন চিকিৎসা কর্মকর্তা, সার্জারি ও অ্যানেসথেসিয়া গাইনি ও অর্থোপেডিকস বিভাগের চারজন কনিষ্ঠ বিশেষজ্ঞ আছেন।

জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মো. সোহরাব উদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, ‘বর্তমানে হাসপাতালে মাত্র ১১ জন চিকিৎসক আছেন। এত অল্পসংখ্যক চিকিৎসকের পক্ষে ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা, বহির্বিভাগ ও ভর্তি রোগীদের সামাল দেওয়া খুবই দুরূহ কাজ। আমরা কীভাবে সেবা দিচ্ছি, সেটা বোঝাতে পারব না।’

হাসপাতাল ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৭ সালে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও শয্যা আর পথ্য ছাড়া কিছু বাড়েনি। জনবলকাঠামো ও অবকাঠামো আগের মতো রেখেই ২০১০ সালের হাসপাতালটিকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর এখানে ছয়তলা একটি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১৮ সালে নতুন ভবনটির উদ্বোধন হওয়ার পর বর্তমানে সেখানে করোনা ইউনিট করা হয়েছে।

চিকিৎসকেরা জানান, এই হাসপাতালে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ রোগী ভর্তি থাকেন। বহির্বিভাগে গড়ে সাড়ে ৫০০ থেকে ৬০০ রোগীর চিকিৎসা দিতে হয়। এরপর প্রশাসনিক কাজ, ময়নাতদন্ত, ধর্ষণের পরীক্ষাসহ বিভিন্ন কাজকর্ম এই ১১ জনকেই করতে হয়। এত রোগীর চিকিৎসাসেবা দেওয়া একরকম অসাধ্য হয়ে পড়েছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment