শিশুপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি চিন্তা বাড়াচ্ছে মা–বাবার

[ad_1]

স্কুলগামী শিশুদের ব্যবহার্য স্কুলব্যাগ, খাতা, কলম, রবার, পেনসিলের মতো শিক্ষা উপকরণেরও দাম বেড়েছে। এসব পণ্যের দাম কোনোটা বেড়েছে গত ছয় মাসে, কোনোটা গত তিন মাসে। আবার কোনোটা গত এক মাসের মধ্যে। এমনও হয়েছে, গত ছয় মাসে একাধিকবার বেড়েছে কয়েকটি পণ্যের দাম।

দেশে আমদানি করা শিশুখাদ্যের বাজারে বিকল্প দুধের বেশ চাহিদা রয়েছে। এসব পণ্যের বড় একটা অংশ আমদানি করা হয়ে থাকে। এর মধ্যে বাজারে যে ব্র্যান্ডগুলোর চাহিদা সবচেয়ে বেশি, তার মধ্যে রয়েছে নিডো, ল্যাকটোজেন, কাউ অ্যান্ড গেট, সিমিলাক ও অ্যাপটামিল। এর মধ্যে কাউ অ্যান্ড গেট ব্র্যান্ডের ৮০০ গ্রামের একটি প্যাকেট এখন ২ হাজার ৬০০ থেকে ২ হাজার ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তিন মাসের মধ্যে এটার দাম বেড়েছে ৯০০ টাকা। আড়াই কেজির একটা নিডোর দাম এখন দোকানভেদে ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৯০০ টাকা। তিন সপ্তাহ আগে এর দাম ছিল ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে।

বাজারে আমদানি করা ডায়াপারের দামও এখন বেশ চড়া। ব্র্যান্ডভেদে ৪২ থেকে ৫০টির একটি বড় ডায়াপারের প্যাকেটের দাম এখন ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত। তিন মাস আগেও এসব পণ্যের দাম ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে ছিল। ব্র্যান্ডভেদে দেশি ডায়াপারের দামও ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের।

রাজধানীর গুলশানের আমদানিকারক সাইকা ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী শাহনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এমনও হয়েছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে শিশুখাদ্যের দাম কেজিতে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। ডলারের বাজারের যে অবস্থা, তাতে সামনে শিশুপণ্যের বাজার কোন দিকে যাবে, তা এখনই আন্দাজ করা যাচ্ছে না।’

মাইশা আহমেদ রাজধানীর ওয়ারী থেকে গুলশানের ডিসিসি মার্কেটে শিশুখাদ্য কিনতে আসেন। ১০ মাস বয়সী সন্তানের জন্য তিনি কাউ অ্যান্ড গেট ব্র্যান্ডের পণ্য খুঁজছিলেন। তিনি বলেন, ‘দুই সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি কৌটায় ৫০০ টাকা বেশি দিয়ে দুধ কিনতে হলো। এভাবে দাম বাড়তে থাকলে আর খাওয়াতে পারব না।’

[ad_2]

Source link

Leave a Comment