কঠিন সময়ে এভিয়েশন খাত, সরকারের নীতিসহায়তা চান উদ্যোক্তারা

[ad_1]

বক্তারা বলেন, এ খাতের উদ্যোক্তারা সেবার মান উন্নত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। কিন্তু এই খাতসংশ্লিষ্ট বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে আন্তরিক হতে হবে। নীতিসহায়তার মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে দ্রুত সমাধান করা হলে দেশের সম্ভাবনাময় এই খাত সম্প্রসারিত হবে।

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বেসরকারি খাতের দেশীয় আকাশ পরিবহন প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন এওএবির সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী। তিনি বলেন, এই খাত প্রচুর সম্ভাবনাময়। কিন্তু পদে পদে প্রতিবন্ধকতা। এত প্রতিবন্ধকতা অন্য কোনো দেশে নেই।

এওএবির সাধারণ সম্পাদক ও নভোএয়ারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মফিজুর রহমান বলেন, নীতিগত সমস্যার কারণে দেশীয় বিমান সংস্থাগুলো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারছে না। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে উড়োজাহাজের জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে দেশেও এক লাফে দাম বেড়ে যায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলে দেশে সেভাবে কমে না। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক গন্তব্যের ফ্লাইট যে দামে তেল কেনে, অভ্যন্তরীণ গন্তব্যের ফ্লাইটে তার চেয়ে ২৫ শতাংশ বেশি দামে কিনতে হয়। এ রকম নানা অসামঞ্জস্য নীতি ও সংকটের কথা তুলে ধরেন তিনি।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment