যে ব্যক্তি ‘নতুন ট্রাম্প’ হয়ে উঠতে পারেন

[ad_1]

যখন সাধারণ প্রার্থীরা নির্বাচনে হেরে যান, তখন তাঁদের দলগুলো নতুন মুখের সন্ধান করে। পুরোনো প্রার্থীকে যতটা সম্ভব ঝেড়ে ফেলে। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প যখন হেরে গেলেন, তিনি তখন তাঁর সমর্থকদের বলেছিলেন, তাঁদের জয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। তিনি তাঁর এ ‘বড় মিথ্যাকে’ বিশাল সমাবেশ ও শোভাযাত্রার রূপ দিতে সক্ষম হন। তিনি তাঁর সমর্থকদের এক ছায়াতলে এনে বড় বিক্ষোভের সূচনা করেন। তিনি তাঁর রিপাবলিকান পার্টিকে বোঝাতে সক্ষম হন যে নেতা হিসেবে আর কেউ তাঁকে টক্কর দেওয়ার মতো নেই। একই রকমভাবে বলসোনারো যদি বড় মিথ্যার আশ্রয় নেন, তাহলে তিনিও ব্রাজিলের প্রভাবশালী বিরোধী রাজনীতিবিদ বনে যেতে পারেন। তাঁর সমর্থকের দল, বিশেষ করে রক্ষণশীল খ্রিষ্টান, বন্দুক-মালিক এবং গ্রামীণ লোকজন তাঁর পক্ষেই থেকে যেতে পারে। তাঁরা মনে করতে পারেন, ব্রাজিলের সঠিক প্রেসিডেন্ট তিনিই। আইনসভা এবং রাজ্যগুলোতে তাঁর সমর্থকেরা লুলার শাসনক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ব্রাজিল আরও বিভক্ত হতে পারে।

ইকোনমিস্ট বলছে, সবচেয়ে ভালো হবে, বলসোনারোকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে, যাতে তিনি জয়ী দাবি না করতে পারেন। এ জন্য ২ অক্টোবর প্রথম রাউন্ডের ভোটে তাঁকে বড় ব্যবধানে হারাতে হবে। অথবা ৩০ অক্টোবরের দ্বিতীয় দফা ভোটে (রান অফে) তাঁকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে মুখ বন্ধ করতে হবে। তবে অক্টোবরের কয়েকটা সপ্তাহ যাবে বড় উদ্বেগে। এ দিনগুলো বিপজ্জনক হয়ে উঠবে, তাতে সন্দেহ নেই। এ জন্য অন্য দেশগুলোকে অবশ্যই ব্রাজিলের গণতন্ত্রকে সমর্থন করতে হবে। অন্য দেশগুলোকে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিতে হবে, সেনাবাহিনী যদি অভ্যুত্থান ঘটায়, তাহলে ব্রাজিলের প্রতি তাদের সমর্থন থাকবে না। ব্রাজিলের ভোটারদেরও নির্লজ্জ জনতুষ্টিবাদের প্রলোভন এড়াতে হবে। মনে রাখতে হবে, ব্রাজিলের জনগণ আরও ভালো কিছুর প্রত্যাশা করে।

ইকোনমিস্ট ও বিবিসি অবলম্বনে

[ad_2]

Source link

Leave a Comment