শিক্ষকদের সরাসরি প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি মুক্তপাঠের মাধ্যমে অনলাইন প্রশিক্ষণ দেয়া হবে

[ad_1]

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদেরকে প্রশিক্ষিত করতে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সটিটিউট অডিটোরিয়ামে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ অনলাইন প্রশিক্ষণ’ এর উদ্বোধন করেন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

এনসিটিবি ও মাউশি কর্তৃক সকল শিক্ষককে সরাসরি প্রশিক্ষণ প্রদানের পাশাপাশি মুক্তপাঠের মাধ্যমে অনলাইন প্রশিক্ষণের যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই বাংলা ভাষার সবচেয়ে বড় ই-লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ‘মুক্তপাঠ’ ( www.muktopaath.gov.bd ) প্ল্যাটফর্মে ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ অনলাইন প্রশিক্ষণ’ শীর্ষক কোর্সটি সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। এছাড়াও শিক্ষাক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় ও ইস্যুভিত্তিক এনসিটিবি ও মাউশি-এর নতুন নতুন অনলাইন প্রশিক্ষণ কোর্স মুক্তপাঠ প্ল্যাটফর্মে চালু করা হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ আবু বকর ছিদ্দীক এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ কামাল হোসেন।

Techshohor Youtube

শিক্ষাক্ষেত্রে সারাবিশ্বেই রূপান্তরের কথা বলা হচ্ছে জানিয়ে ডা. দীপু মনি বলেন, মুখস্ত নির্ভর পাঠ্যক্রমের পরিবর্তে অভিজ্ঞতা ও কার্যক্রমভিত্তিক শিখণে অগ্রাধিকার প্রদান করে ২০২৩ সালের শুরুতে শিক্ষার্থীদের হাতে যে বই পোঁছে দেওয়া হবে তা জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১ এর আলোকেই প্রস্তুত করা হয়েছে। পরবর্তীতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভবকদের মতামতের উপর ভিত্তি করে এগুলোকে আরো বেশি যুগোপযোগী করে তুলতে এতে প্রয়োজনীয় পরিমার্জন ও পরিবর্তন আনা হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এবং এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) প্রণীত নতুন ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা ২০২১’-এর দর্শন, রূপকল্প, অভিলক্ষ্য এবং যোগ্যতাভিত্তিক শিক্ষাক্রম সম্পর্কে সকল শিক্ষক, প্রশিক্ষক ও কর্মকর্তাদের অবহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রম মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নে শিক্ষকদের সঠিকভাবে তৈরি করার ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাক্রম বিস্তরণে একদিকে যেমন সরাসরি বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও প্রচারের ব্যবস্থা করা হবে, একইসাথে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন মাধ্যমে বিস্তরণের পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা হবে।

সভাপতির বক্তব্যে মাউশি’র মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ বলেন, সারা পৃথিবী বদলাচ্ছে আমাদেরেকেও বদলাতে হবে। এখনকার শিক্ষার্থীরা পুরনোদের চেয়ে অনেক সহজে নতুন নতুন বিষয়কে গ্রহণ করে নিতে পারে। নতুন পরিবর্তনকে সাদরে গ্রহণ করার জন্য আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনে কাজ করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা প্রসঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেন এনসিটিবি-এর চেয়ারম্যান প্রফেসর মোঃ ফরহাদুল ইসলাম। এছাড়াও মাউশি’র পরিচালক (প্রশিক্ষণ উইং) ড. প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য, মাউশি’র পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন উইং) প্রফেসর ড. একিউএম শফিউল আজম, এটুআই-এর ফিউচার অব এডুকেশন টিম হেড মো. আফজাল হোসেন সারওয়ার এবং সম্মানিত শিক্ষক প্রতিনিধিরা স্ব স্ব অবস্থান থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, এটুআই, ইউনিসেফ, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, ও সম্মানিত শিক্ষক প্রতিনিধিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।



[ad_2]

Source link

Leave a Comment