এবার তিন কারণে সময়মতো নতুন বই পাওয়া নিয়ে শঙ্কা

[ad_1]

নিয়মানুযায়ী এনসিটিবি দরপত্রের কাজ শেষ করে সেটি মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। সেখানে মূল্যায়ন করে অনুমোদন দেওয়ার পর তা সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিতে অনুমোদন নিতে হয় এবং সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের অনুমোদন লাগে। এরপর নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানকে নোটিফিকেশন অ্যাওয়ার্ড তথা কার্যাদেশ দেওয়া হয় এবং ২৮ দিনের মধ্যে চুক্তি করতে হয়। যেদিন থেকে চুক্তি হবে, সেদিন থেকে বই ছাপার জন্য দেওয়া নির্ধারিত সময় শুরু হয়।

এনসিটিবি সূত্রে জানা গেছে, এসব লটে ৭০ দিনের মধ্যে বই ছাপানোর জন্য সময় দেওয়া হচ্ছে। এনসিটিবি গত মাসে যে প্রাক্কলন করেছিল, তাতে হিসাব করে দেখেছিল, ওই ২৮০টি লটের বই ছাপিয়ে সরবরাহ করতে ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে। কিন্তু এখনো কার্যাদেশ না হওয়ায় কোনো কারণে কিছুটা ওদিক-ওদিক হলেই বড় ধরনের সমস্যা তৈরির আশঙ্কা আছে।

এনসিটিবির এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি মাথায় রেখে ৫০ শতাংশ বই ৪০ দিনে এবং বাকি অর্ধেক বই ৩০ দিনে সরবরাহ করতে বলা হচ্ছে।
তবে সর্বশেষ জানা গেছে, এনসিটিবির কাছে দুই ভাগে বই দেওয়ার শর্তটি বাদ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন মুদ্রণকারীরা। অর্থাৎ তাঁরা চাইছেন পুরো সময়ের (৭০ দিন) মধ্যে বই দিতে।

মাধ্যমিক স্তরের অপর অংশে ১৮২টি লটে ১১ কোটির মতো বই ছাপা হবে। এসব লটের বই ছাপানোর জন্যও আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে কার্যাদেশ দেওয়া যায়নি। এসব বই ছাপাতে ৫০ দিন সময় ধরা হয়েছে। এনসিটিবির হিসাব অনুযায়ী, আনুষঙ্গিক কাজ শেষ করে চুক্তি মিলিয়ে আগামী ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে বই ছাপা সম্ভব হবে।
আর প্রাথমিক স্তরের বইগুলোর তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির বই ছাপার কাজ ক্রয় কমিটিতে অনুমোদন হলেও পরবর্তী ধাপ শেষ না হওয়ায় এসব বই ছাপার কার্যাদেশ দেওয়া যায়নি।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment