খারকিভে রুশ বাহিনীর কেন এই বিপর্যয়

[ad_1]

তিন সপ্তাহ আগে ভ্লাদিভস্তক শহরে এক অর্থনৈতিক ফোরামে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন দাবি করেন, ‘ইউক্রেনে আমাদের লক্ষ্য অপরিবর্তিত রয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘সেখানে আমরা কিছু হারাইনি, কিছু হারাবও না।’ তাঁর কথা বাসি হওয়ার আগেই খারকিভে এমন কাশমার।

কথার মারপ্যাঁচে খারকিভের বিপর্যয়ের ব্যাখ্যা যেভাবেই করা হোক না কেন, বিষয়টি পুতিনের জন্য রাজনৈতিক সমস্যা সৃষ্টি করেছে। অভাবিত হলেও সত্য, রাশিয়ার বিভিন্ন শহরের ৪০ জন স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধি এক যৌথ আবেদনপত্রে তাঁর পদত্যাগ দাবি করেছেন। এই আবেদনের কোনো কার্যকর মূল্য নেই, তবে প্রবল চাপ থাকা সত্ত্বেও সে দেশে যে এমন দাবি উঠেছে, তাতেই বোঝা যায় ভেতরে-ভেতরে ভাঙন শুরু হয়েছে।

ভাবা হয়েছিল রাজধানী কিয়েভ দখল করতে রুশদের ৪৮ ঘণ্টা, বড়জোর ৭২ ঘণ্টা লাগবে। পুতিনের কথায় ইউক্রেনীয়রা ‘লিটল রাশানস’ মুক্ত করতে আসা রুশ সৈন্যদের তারা ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নেবে। যখন লক্ষ্য অর্জিত হলো না, তখন পুনর্বিন্যাসের নামে লাখখানেক সেনার বাহিনীকে মুখ ঘুরিয়ে পাঠানো হলো পূর্ব ও দক্ষিণে। যুক্তি দেখানো হলো, তাদের কৌশলগত লক্ষ্য দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক, সে লক্ষ্য অর্জনে সেনাবাহিনী পুনর্বিন্যাস করা হবে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment