নিয়তির মার খাওয়া কতিপয় ‘সাধারণের’ কথা

[ad_1]

পুলিশ বাহিনীর এই তিন সদস্য এর আগে সাধারণ মানুষকে গাড়িতে তুলে অর্থ আদায় ও ডাকাতি করার অভিযোগে বরখাস্ত হন। তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক থানায় এ–সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে। যাঁদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আগে থেকেই ছিল, তাঁরা যে আবারও এমন ঘটনা ঘটানোর সাহস পান, তার কারণ হলো সাধারণ মানুষের কাছ থেকে তাঁরা এমন প্রতিরোধ আশা করেননি। তাঁরা জানেন, সাধারণের সঙ্গে যা খুশি করা যায়। ক্ষমতাবান ও বিত্তশালীরা হলেন অসাধারণ। তাঁদের কাছে যাওয়ার সাহস তাদের হয় না।

সিলেটের বন্দরবাজার ফাঁড়িতে পুলিশের হেফাজতে মৃত্যু হওয়া ৩৪ বছরের যুবক রায়হানও অসাধারণ কেউ ছিলেন না, অসাধারণ হলে ফাঁড়িতে ধরে এনে যাচ্ছেতাইভাবে নির্যাতন করে মেরে ফেলা যেত না। সাধারণ মানুষ নির্যাতিত হবেন, ভুগবেন, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে মার খাবেন, অন্যায় না করলেও মার খাবেন, কারণে–অকারণে মার খাবেন, এটাই নিয়ম। মার খেয়ে তবু ধুকে ধুকে টিকে থাকেন মানুষ। বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে পুড়ে, খেতে না পেয়ে, গাড়ির নিচে পড়ে, কংক্রিটে চাপা পড়ে, পানিতে ডুবে, মহামারি সয়ে টিকে থাকেন সাধারণ মানুষ। কেননা সাধারণের জীবনীশক্তি ‘অসাধারণ’। তাই সাধারণ মানুষ মারা না যাওয়া পর্যন্ত সামান্য প্রতিবাদও হয় না।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment