যেভাবে বিলুপ্ত হওয়ার পথে নলেয়া নদী

[ad_1]

নলেয়ার অধিকাংশ অংশই ব্যক্তির নামে লিখে নিয়েছে। যেহেতু ভূমি অফিস খাজনা নেয়, তাই অবৈধ দখলদারেরা মনে করেন এ নদীর মালিক তঁারা। মিজানুর কিছু দলিল, খতিয়ান ও নামজারির কাগজ বের করে বললেন, ‘আমি কাগজগুলো রেখেছি কোনো দিন কেউ আসলে দেখানোর জন্য। এখানে কোনো নদী নেই। সব ব্যক্তির জমি।’ কাগজে দেখা গেল, যে দাগ নম্বরের জমি তিনি দাবি করছেন, তা ১৯৪০–এর সিএস নকশায় এবং ১৯৬২ সালের রেকর্ডে সরকারের সংরক্ষিত জমি। ১৯৯০ সালের রেকর্ডে ওই জমির শ্রেণি দেখানো হয়েছে দলা। আইন অনুযায়ী নদী-খাল-বিল-জলাশয়ের শ্রেণি পরিবর্তনের সুযোগ নেই। জমি সরকারের সংরক্ষিত শুনে তিনি জানতে চাইলেন, এ জমিতে সরকার হস্তক্ষেপ করবে কি না? আমরা বললাম, আইন অনুযায়ী এ জমি ব্যক্তির পাওয়ার সুযোগ নেই। যিনি লিখে দিয়েছেন এবং যিনি লিখে নিয়েছেন—উভয়েই অপরাধী। যোগসাজশে এ অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। এ কথা মিজানুরের মুখে চিন্তার ছাপ ফেলে দেয়।

সরেজমিনে দেখলাম, নদীটিতে অসংখ্য ছোট সেতু পানির প্রবাহ দুর্বল করে তুলেছে। ফলে দ্রুতই নদটি ভরাট হয়েছে। নদীটির পরিচর্যা কখনোই হয়নি। এগুলো যখন ভরাট হতে শুরু করেছে, তখনই ভূমি কর্মকর্তার যোগসাজশে ব্যক্তির নামে নদী লেখার কাজ হয়েছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment