যে সংকেত বুঝতে চাননি শোয়েব মালিক

[ad_1]

খুপাকিস্তানের চাওয়া মিডল অর্ডারে এমন ব্যাটসম্যানও, যিনি দুই ওপেনার (বাবর আজম-মোহাম্মদ রিজওয়ান) নির্ভরতা থেকে দলকে মুক্ত করবেন, বিপদে উদ্ধার করবেন, মাঝপথে ইনিংস গড়বেন আর শেষের দিকে হাত চালাবেন। এশিয়া কাপে ‘অলরাউন্ড’ ঘরানার এই ব্যাটিংই পারেননি খুশদিল শাহ, ইফতিখার আহমেদরা, যে ব্যর্থতায় শেষ পর্যন্ত শিরোপাটাও খোয়া গেছে।

এশিয়া কাপে পাকিস্তান মিডল অর্ডারের ব্যর্থতা দেখতে দেখতে আক্ষেপ জমেছে শোয়েবের। ফাইনালের পর ‘আমি যদি থাকতাম…’ আক্ষেপের সঙ্গে যোগ হয় চেপে রাখা ক্ষোভও, যা তিনি ছড়িয়ে দেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। কূটনৈতিক ভঙ্গিমার সেই বার্তায় লিখেছিলেন, ‘কবে আমরা বন্ধুত্ব, আর পছন্দ-অপছন্দের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারব।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশের পর তাঁর একার ক্ষোভ আর একার থাকেনি, হয়ে ওঠে পাকিস্তানের ক্রিকেট-সমাজের বিতর্কের বিষয়। বিশ্বকাপ দলে শোয়েবের সুযোগ পাওয়া উচিত বলে মতও দেন ইনজামাম উল হকের মতো সাবেক ক্রিকেটার।

কিন্তু পিসিবি নির্বাচকদের আর শোনার সময় কই? ‘শোয়েব আউট’—এমন সিদ্ধান্ত যে তারা আগেই নিয়ে রেখেছে!

২০১৯ বিশ্বকাপের পরপর রমিজ রাজা বলেছিলেন, মোহাম্মদ হাফিজ আর শোয়েব মালিকের অবসর নেওয়া উচিত। রমিজ তখনো স্রেফ ধারাভাষ্যকার, বিশ্লেষক। তবে ইমরান খানের বদান্যতায় গত বছর থেকে রমিজ এখন পিসিবির চেয়ারম্যান। সামনে কী হতে পারে, এমনটি অনুমান করেই হয়তো বছরের শুরুর দিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিয়েছিলেন হাফিজ। কিন্তু বোঝেননি বা বুঝলেও মানতে চাননি শোয়েব।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment