শিক্ষক ও তাঁর পরিবারের ক্ষুধাও কি অর্ধেক?

[ad_1]

শিক্ষক‌দের দুঃখ–ক‌ষ্টের কথা দে‌শের সাধারণ মানুষ, ছাত্রছা‌ত্রী ও অভিভাবকদেরও উপল‌ব্ধি কর‌তে হ‌বে, শিক্ষক‌দের প‌রিপূর্ণ অধিকার আদা‌য়ের ল‌ক্ষ্যে সাধারণ মানু‌ষেরও প্রতিবা‌দী হওয়ার সময় এস‌েছে। শিক্ষকেরা আস‌লে বড্ড একা‌ হ‌য়ে গে‌ছেন, তাঁদের আত্মমর্যাদা ও অভিমানটা বড্ড বে‌শি ব‌লে আন্দোলনটা সেভা‌বে জোরদার হয় না। ক্লা‌সে শিক্ষক ছাত্রছাত্রী‌দের সাম‌নে যতটা সফল ও শ‌ক্তিশালী কিন্তু স‌ত্যিকা‌রের জীবনসংগ্রা‌মে ও সংসা‌রের আর্থিক নিরাপত্তাবিধা‌নে তাঁরা ততটুকুই ব্যর্থ। শিক্ষকেরা ভেত‌রে–ভেত‌রে কতটা দুঃখ–দুর্দশায় থা‌কেন, সেটা কারও না জান‌লেও চল‌বে।

প্রকৃত শিক্ষ‌কের আদর্শই হ‌লো দি‌তে চাওয়া, নি‌তে চাওয়া নয়। বিষয়ভি‌ত্তিক স‌ঠিক জ্ঞান বিতরণ ও শিষ্টাচার-ভদ্রতা-‌নৈ‌তিকতা-আদর্শ শেখা‌নো তাঁদের কাজ কিন্তু নি‌জে‌দের বেতন–ভাতা বৃ‌দ্ধির জন্য ও এ–সংক্রান্ত অনিয়মগু‌লোর বিরু‌দ্ধে ক‌ঠিন আন্দোলন–সংগ্রাম করা তাঁদের কাজ নয়, এ দা‌য়িত্ব সমা‌জের শিক্ষানুরাগী বি‌বেকবান মানু‌ষের। প্রকৃত শিক্ষকসমাজ বড্ড বে‌শি অভিমানী হয়, ছাত্রছাত্রীরা যত বড় অবস্থা‌নেই যাক না কে‌ন, আদর্শ শিক্ষকেরা কখ‌নো ছাত্রছাত্রীর কা‌ছে কো‌নো আর্থিক সাহায্য বা ক্ষমতার সহায়তা চাইতে পা‌রেন না, ভেত‌রে লজ্জা‌বোধ ও আত্মমর্যাদা তাঁদের প্রবল থা‌কে। মা–মা‌য়ের কা‌ছে যেমন সন্তান কখ‌নো বড় হয় না, তেম‌নি ক‌রে একজন শিক্ষকের কা‌ছেও ছাত্রছাত্রী কো‌নো ‌দিন বড় হয় না। শিক্ষক কি চায় জা‌নেন? শিক্ষক চান ছাত্রছাত্রী বু‌ড়ো হ‌য়ে গে‌লেও যা‌তে জীব‌নের কো‌নো বি‌শেষক্ষ‌ণে যে‌ন তাঁর ম‌নপ‌টে গভীর শ্রদ্ধা, ভ‌ক্তি‌তে ও ভা‌লোবাসা সহকা‌রে শিক্ষ‌কের চেহারাখানা ভে‌সে ওঠে, সে মুহূ‌র্তে সেই শিক্ষক পৃ‌থিবী‌তে বেঁচে নাইবা থাকুক, তা‌তে কি! এখ‌নেই শিক্ষ‌কের ম‌নের গভী‌রের চাপা অহংকার, হয়‌তো এ জায়গায়ই শিক্ষ‌কের মানবজীবন ধন্য হয়।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment