হামলা-ভাঙচুরের পর ছাত্রলীগের মহড়া, চাকরির ফাইল ছাড় করতে আলটিমেটাম

[ad_1]

বিকেলে আবেদনপত্র সংযুক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ওসিকে মামলা এজাহারভুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক জহুরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘যে ঘটনা ঘটেছে, যেটার পুরোটায় উপাচার্যকে আহত করা হয়েছে। উপাচার্যকে আঘাত করা মানে বিশ্ববিদ্যালয়কে আঘাত করা। বিশ্ববিদ্যালয়কে আঘাত করা মানে রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানকে আঘাত করা। যেখানে লেখাপড়া হয়, সেখানে এ ধরনের ঘটনা হতে পারে? চাকরির বিষয়ে একটা সিস্টেম আছে। হামলা ভাঙচুর কাম্য নয়। এটা মেনে নেওয়া যায় না, ন্যক্কারজনক ঘটনা। প্রশাসনকে প্রতিহত করতে হবে। তা না হলে আরও মারাত্মক ঘটনা ঘটবে।’

ওই ঘটনায় প্রক্টর জাহাঙ্গীর আলমকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি উপাচার্যের কাছে প্রতিবেদন দেবে। প্রক্টর জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ছাত্রলীগের নামে মিছিল হয়েছে। তবে তাঁরা ক্যাম্পাসের কেউ না। আলটিমেটাম সম্পর্কে আমার জানা নেই। কর্তৃপক্ষের কাছে কেউ কোনো লিখিত জানায়নি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। তারা বিষয়টি দেখছে।’

[ad_2]

Source link

Leave a Comment