টাকা যেভাবে ভাসমান হলো | প্রথম আলো

[ad_1]

বাংলাদেশের রপ্তানির তুলনায় আমদানি বেশি। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময়ই টাকার মান ধরে রাখতে চেয়েছে। ফলে অনেক সময়ই টাকা হয়ে পড়েছিল অতিমূল্যায়িত। বিশেষ করে করোনা সংক্রমণের আগের কয়েকটি বছরে এই পরিস্থিতি দেখা দেয়। তখন অবমূল্যায়ন করার দাবি উঠলেও বাংলাদেশ ব্যাংক তা কানে দেয়নি।

বিপাকে পড়ে শেষ পর্যন্ত সেটাই করতে হয়েছে। বাংলাদেশ গত জানুয়ারি থেকেই অল্প অল্প করে অবমূল্যায়নের সেই পুরোনো যুগে ফিরে গিয়েছিল। তাতেও কাজ হয়নি। জোগানের সংকটে ডলারের দর বাড়ছিলই। বাংলাদেশ ব্যাংক একটি আন্তদর বেঁধে দিলেও তাতে কোনো লেনদেন হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত বাজারের ওপরই পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হলো বিনিময় হারকে। সত্যিকার অর্থেই ভাসমান হয় টাকা।

চলতি বছরের শুরুতে ডলারের দর ছিল ৮৫ টাকা ৮০ পয়সা। এখন সেটি ১০৬ দশমিক ৭৫০০ টাকা। এর অর্থ হচ্ছে, চলতি বছরেই টাকার অবমূল্যায়ন করা হয়েছে ২৩ দশমিক ২৫ শতাংশ। আর যদি স্বাধীনতার পর থেকে ধরা হয়, তাহলে টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে ১ হাজার ৩৬৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ। বলা হয়, টাকাকে অবমূল্যায়ন করলে মূল্যস্ফীতি বাড়ে। তবে এবার আর সেটি হচ্ছে না বলেই মনে করা হয়। কারণ, এত দিন বাজারদরেই ডলার কিনে আমদানি করা হয়েছে। ফলে নতুন দর বড় সমস্যা করবে না। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, টাকার বিনিময় হার কি এভাবে ভাসমানই থাকবে?

[ad_2]

Source link

Leave a Comment