ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের স্বপ্নের ক্যাম্পাস | প্রথম আলো

[ad_1]

দেশীয় কাঁচামাল ব্যবহার করে এসব উপাদান তৈরি করা যায় কি না, তার সম্ভাব্যতা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। গুণাগুণ পরীক্ষা করে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারও করা হচ্ছে। প্লাস্টিকের বর্জ্য, পাটের আঁশ, কলাগাছের আঁশ, কচুরিপানাসহ এ ধরনের বিভিন্ন উপাদান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে সেগুলোকে বাণিজ্যিক রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

এসব গবেষণা প্রসঙ্গে ডুয়েটের গবেষণা ও সম্প্রসারণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী বলেন, ‘এ ধরনের ম্যাটেরিয়ালগুলোর চাহিদা সারা বিশ্বে ক্রমাগত বাড়ছে। বাংলাদেশে ম্যাটেরিয়ালগুলো তৈরির শিল্পকারখানা গড়ে তোলার সুযোগও আছে, যেগুলো দেশের চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানিযোগ্য পণ্যে পরিণত হতে পারে। শিল্পোদ্যোক্তারা এ বিষয়ে এগিয়ে এলে দেশের অর্থনীতি আরও এগিয়ে যেতে পারে। আমাদের ডুয়েটের তরুণ গবেষকেরা সেই লক্ষ্য নিয়েই কাজ করছেন।’

চাকরির জন্য বসে থাকেন না তাঁরা

কথা হলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি উৎপল কুমার দাসের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েও শিক্ষার্থীরা চাকরির জন্য বসে থাকেন। আমাদের শিক্ষার্থীদের ছয় মাসও বসে থাকতে হয় না। অনেক শিক্ষার্থী পাস করার আগেই ক্যাম্পাসের জব ফেয়ারে অংশগ্রহণ করে চাকরি পেয়ে যাচ্ছেন। মেটা, টেসলার মতো বড় প্রতিষ্ঠানেও আমাদের শিক্ষার্থীরা কাজ করছেন।’

পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাজু আহমেদ জানালেন, তাঁদের নিয়মিত ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। তিনি বলেন, কোনো কারণে ক্লাস বা ল্যাব মিস হয়ে গেলে নিজেরই বেশি ক্ষতি হয়। তাই সহজে কেউ ক্লাস মিস করে না। কেমিক্যাল অ্যান্ড ফুড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী যোবায়ের হোসেন বলেন, ‘একসময় চিন্তা হতো ডিপ্লোমা করেছি, কিন্তু পরবর্তীকালে আমার কী হবে। এখন আর সেটা মনে হয় না। প্রকৌশলীদের জন্য দেশের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পাওয়ায় আমরা গর্ববোধ করছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলের শিক্ষার্থীরা জানালেন, ডুয়েটে বর্তমানে সাতটি হল আছে। হলগুলোর খাবার বাবদ দিনে ৫০ টাকা করে মাস শেষে দেড় হাজার টাকা দিতে হয়। এসএম হলের শিক্ষার্থী জাহিদ হাসান বলেন, ‘হলে থাকলে সব মিলিয়ে মাসে প্রায় দুই হাজার টাকা খরচ হয়। বর্তমান বাজারের সঙ্গে এটা মোটামুটি মানানসই। তবে হলে আসন তো খুব বেশি নেই। যারা বাইরে মেসে থাকে, তাদের আরও বেশি খরচ হয়। আমরা যারা হলে আছি, ভালোই আছি।’

[ad_2]

Source link

Leave a Comment