প্রশিক্ষণ ভাতায় সার উৎপাদন শুরু, এখন মাসে বিক্রি ৫০ হাজার টাকা

[ad_1]

তানজিলা বলেন, বাড়িতে সার উৎপাদন শুরুর এক বছর পর বড় পরিসরের কাজে হাত দেন। তখন টাকার প্রয়োজন ছিল। তাঁর বাবা কৃষি ব্যাংক থেকে এক লাখ টাকা ঋণ এনে তাঁকে দেন।

শাকিল বলেন, কৃষি ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে জমি বা সম্পদ জামানত রাখতে হয়। বাবার নামে জমি আছে। তিনি জমি জামানত রেখে ঋণ নেন। সার বিক্রির আয় থেকে ধীরে ধীরে এই ঋণ শোধ করা হয়েছে। এখন বাবার মাধ্যমে নতুন করে আরও দেড় লাখ টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে।

তানজিলা জানান, খামারের জন্য এখন বছরে ২৫ হাজার টাকা ভাড়া দিতে হয়। বাড়িতেও ছোট পরিসরে কাজ চলে। কাজে সহায়তার জন্য একজন লোক রাখা হয়েছে।

সার বিক্রি সম্পর্কে শাকিল বলেন, ধান ও সবজিচাষিরা এই সার কেনেন। যাঁরা বাগান করেন, তাঁরাও নেন। ধানখেতে বছরে একবার ভার্মি কম্পোস্ট দিতে হয়। প্রতি শতক জমিতে তিন থেকে পাঁচ কেজি সার লাগে। সবজিখেতে প্রতিবার সবজি তোলার পর ভার্মি কম্পোস্ট দিতে হয়। জমি উর্বর না হলে সার বেশি লাগে। এই সার অনলাইনে বেশি বিক্রি হয়।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment