বন্যার পর থেকে ধারদেনা করে চলছেন কৃষক আউয়াল

[ad_1]

এবার বোরো ধান আবাদ করতে প্রায় ৬০ হাজার টাকা খরচ করেছিলেন। ফসল তুলতে না পারায় পুরো টাকা পানিতে গেছে। এখন ঋণ করে আমন ধানের জন্য টাকা জোগাতে হচ্ছে। ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে দুই বছর আগে পোলট্রি খামার করেছিলেন আউয়াল। বন্যায় খামারের বেশ কিছু মুরগি মারা গেছে।

আউয়াল ইসলাম বলেন, আরেকজনের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে খামারে কিছু মুরগি তুলেছিলেন। কিন্তু সুদসহ ঋণের কিস্তি দিতে গিয়ে নিজের জন্য আর কিছু অবশিষ্ট থাকে না। এরপরও টেনেটুনে খামারটি চালাচ্ছেন। কিন্তু এবারের বন্যা তাঁকে দুই বছরের জন্য পিছিয়ে দিয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে হয়তো এবার ঋণ শোধ করতে পারতেন। এখন পরের বছরও ঋণ শোধ করতে পারবেন কি না, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। এর মধ্যে যদি আগামী বোরো মৌসুমে আবার বন্যা হয়, তাহলে সবকিছু হারাতে হবে তাঁকে।

সিলেট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয়ের হিসাব অনুযায়ী, সিলেটে প্রথম ধাপের বন্যায় আউশ ধানের ১ হাজার ৩০১ হেক্টর বীজতলা, ১ হাজার ৭০৪ হেক্টর বোরো ধান ও ১ হাজার ৪ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি পানিতে তলিয়ে গেছে।

[ad_2]

Source link

Leave a Comment