কলড্রপে মিলবে আরও বেশি ক্ষতিপূরণ

[ad_1]

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : কলড্রপ নিয়ে বিটিআরসির নতুন নির্দেশনায় গ্রাহক আরও বেশি ক্ষতিপূরণ পাবে।

নতুন নির্দেশনায় প্রতিদিন প্রথম ও দ্বিতীয় কলড্রপের ক্ষেত্রে প্রতিটি কলড্রপের জন্য ৩০ সেকেন্ড বা ৩টি পালস (এক পালস ১০ সেকেন্ড) ক্ষতিপূরণ গ্রাহককে দিতে হবে। আর তৃতীয় হতে সপ্তম কলড্রপের ক্ষেত্রে প্রতিটি কলড্রপের জন্য ৪০ সেকেন্ড বা ৪টি পালস পাবে গ্রাহক। এই নির্দেশনা অননেট কলড্রপের জন্য।

রোববার বিটিআরসির সম্মেলন কক্ষে কলড্রপ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই নির্দেশনার কথা জানায় বিটিআরসি।

Techshohor Youtube

বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন।

এতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং ডাক ও টেলিযোযোগ সচিব মো. খলিলুর রহমান।

কলড্রপ নিয়ে বিশদ উপস্থাপনা দেন বিটিআরসির সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাসিম পারভেজ।

সম্মেলনে বিটিআরসির উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এতোদিন কোনো অপারেটরই প্রথম কলড্রপের জন্য কোনো ক্ষতিপূরণ দিতো না। উল্লেখ করার বিষয় হলো, গ্রাহকের যতো কলড্রপ হতো তার ৬৫ শতাংশই হয় প্রথম কলড্রপ। দেখা যাচ্ছে, এতে কলড্রপের বেশিরভাগ অংশেরই ক্ষতিপূরণ পেতো না গ্রাহক।

আগে গ্রামীণফোন ও রবি ৩য় থেকে ৭ম কলড্রপের ক্ষেত্রে প্রতি কলড্রপে এক মিনিট করে ফেরত দিতো। আর বাংলালিংক এটি দিতো ২য় থেকে ৬ষ্ঠ কলড্রপ পর্যন্ত ।

প্রশ্ন আসতে পারে, গ্রাহক কেনো সপ্তম কলড্রপ পর্যন্তই এই ক্ষতিপূরণ পাবে। এর বেশি, মানে ৮ম, নবম বা দশম পর্যন্ত নয় কেনো ?

বিটিআরসি বলছে, অপারেটরগুলোর যত কলড্রপ হয় তার মোট সংখ্যার ৯৮ শতাংশই প্রথম হতে সপ্তম কলড্রপে হয়ে থাকে।

নতুন নির্দেশনায়, কলড্রপ নিয়ে সব মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য অভিন্ন ইউএসএসডি কোড *১২১*৭৬৫# ডায়াল করে একজন গ্রাহক জানতে পারবেন তার আগের দিন, সপ্তাহ বা মাসিক অন-নেট কলড্রপের পরিমাণ কতো।

এরসঙ্গে আগের কিছু নির্দেশনাও থাকছে, যেমন :

কলড্রপের ফলে পাওয়া কল মিনিট পরবর্তী দিনের প্রথম কল হতে ব্যবহারযোগ্য হবে। ফেরত পাওয়া মিনিট পুরোপুরি ব্যবহার শেষ হওয়ার আগে গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট হতে কোনো টাকা কাটা যাবে না।

এছাড়া কলড্রপের জন্য ফেরত দেয়া টকটাইমের বিষয়ে গ্রাহককে এসএমএস করে পরবর্তী ২৪ ঘন্টার মধ্যে জানাতে হবে।

অফনেট কলড্রপের ক্ষতিপূরণের কী হবে ?

অফনেট কলড্রপের ক্ষতিপূরণও যেন গ্রাহক পেতে পারে সেজন্য কাজ করছে বিটিআরসি।

অফনেট কলড্রপের ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ চলে যাওয়া, এনটিটিএন ফাইবার কাটায় নেটওয়ার্ক কাটা, ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক মানসম্মত না হওয়া, যন্ত্রপাতি অচল হওয়া, আইসিএক্স সুইচ ক্যাপাসিটিসহ বেশ কিছু কারণ রয়েছে অনেকগুলো অংশীজন যুক্ত রয়েছে।

বিটিআরসি বলছে, অফনেট কলড্রপর ক্ষেত্রে প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী যেকোনো অপারেটরের কারিগরী সীমাবদ্ধতার কারণে কলড্রপ হতে পারে। নানা অংশীজন থাকায় অফনেট কলড্রপের মূল কারণ বের করা এখন জটিল।

তবে বিটিআরসি ‘টেলিকম মনিটরিং সিস্টেম’ বা টিএমএস প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। যেখানে অফনেট কলড্রপের কারণ সনাক্ত করা সহজ হবে এবং দায়ী প্রেরক ও গ্রাহক অপারেটরকে দায়বদ্ধতায় আনতে পারবে।

কলড্রপের বর্তমান পরিস্থিতি :

চলতি বছরের মে মাসজুড়ে কলড্রপের পরিসংখ্যান বলছে, ওই ৩১ দিনে গ্রামীণফোন, রবি ও বাংলালিংকের মোট অননেট কলড্রপ হয়েছে ৭ কোটি ৯৯ লাখ ৬৬ হাজার ৩৩২টি। যেখানে প্রথম কলড্রপ ৫ কোটি ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৩৪৭ টি, দ্বিতীয় কলড্রপ ১ কোটি ৪৭ লাখ ৩০ হাজার ১৭৮ টি, তৃতীয় ৫৬ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬৬টি, চতুর্থ ২৭ লাখ ৪২ হাজার ৭৫৬টি, ৫ম ১৫ লাখ ৪১ হাজার ১৬০ টি, ৬ষ্ঠ ৯ লাখ ৫০ হাজার ৩১০ টি এবং ৭ম ১০ লাখ ২৬ হাজার।

এর বাইরে ৮ম হতে আরও কলড্রপের পরিমাণ ১৪ লাখ ৬০ হাজার ৮৯২ টি।



[ad_2]

Source link

Leave a Comment