অবৈধ ট্র্যাকিং ডিভাইস বন্ধের দাবি

[ad_1]

টেক শহর কনটেন্ট কাউন্সিলর : দেশের বাজারে অবৈধ ভেহিকেল ট্র্যাকিং ডিভাইস বন্ধের দাবি জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

তার বলছেন, বাজারে অবৈধ ও অননুমোদিত ট্র্যাকিং ডিভাইস অবাধে কেনাবেচার কারণে একদিকে সরকার যেমন রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি গ্রাহকও সঠিক সার্ভিস পাচ্ছে না। এছাড়া বৈধ ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

২০০৫ সালে দেশীয় ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান

Techshohor Youtube

বিডিকম অনলাইন লিমিটেডের হাত ধরে বাংলাদেশে যাত্রা করে মোটরগাড়ি ট্র্যাক করার প্রযুক্তি ভেহিকেল ট্র্যাকিং সার্ভিস (ভিটিএস)। এ যাত্রায় ২০০৯ সালে বিডিকমের সঙ্গী হয় বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ভিটিএস ও আইওটি ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কনকক্স ইনফরমেশন টেকনোলজি কোং। সেই যাত্রার যুগপূর্তি উদযাপন করল প্রতিষ্ঠান দুটি।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে দেশে বিডিকম এবং ভিটিএস-আইওটি ডিভাইস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কনকক্স ইনফরমেশন টেকনোলজিসের যৌথ ব্যবসার যুগপূর্তি উপলক্ষ্যে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব বিষয়ে বলেন ব্যবসায়ীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ভেহিকেল ট্র্যাকিং সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ভিটিএসপিএবি) সভাপতি এবং বিডিকম অনলাইন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এস এম গোলাম ফারুক আলমগীর বলেন, সরকার অনুমোদিত ট্রাকিং ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যক্তিগত, বাণিজ্যিক এবং গণপরিবহন ব্যবস্থাপনা, ডাইভারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।

এ সময় তিনি বাজারে অবৈধ ট্র্যাকিং ডিভাইস বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপের দাবি তোলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ভিটিএসপিএবির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন কনকক্স ইনফরমেশন টেকনোলজিসের সাউথইস্ট এশিয়া রিজিওনাল সেলস ডিরেক্টর মেলোডি চ্যান।

মেলোডি চ্যান বলেন, ভেহিকল ট্র্যাকিং সিস্টেম মূল্যবান যানবাহনের সুরক্ষার পাশাপাশি ব্যবস্থাপনাও অনেক সহজ করেছে। বিশেষ করে সাপ্লাই চেইন এবং কোল্ড চেইন ম্যানেজমেন্টে ভেহিকল ট্র্যাকিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ওভার স্পিড অ্যালার্ট, জিওফেন্স, অডিও মনিটরিং, কলিশন অ্যালার্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ ফিচার সড়ক দুর্ঘটনা রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সংবাদ সম্মেলনে বিডিকম অনলাইনের চিফ টেকনোলজি অফিসার এস এম কামরুজ্জামান, চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার ফাকের আহমেদ, চিফ স্ট্র্যাটেজিক অফিসার গাজী জিহাদুল কবির, চিফ ইনফরমেশন অফিসার আনোয়ার হাসান সাবির সুজন উপস্থিত ছিলেন।



[ad_2]

Source link

Leave a Comment