কানাডায় অভিবাসন নিয়ে ফেসবুকে সরব প্রতারক চক্র

[ad_1]

টেকশহর কনটেন্ট কাউন্সিলর: ইমিগ্রেশন আইনজীবি সেজে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপের ও এর হাজার হাজার ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দিচ্ছে একটি প্রতারক চক্র। এই স্ক্যামাররা ফেসবুকে করা বেশ কিছু পোস্টে জানিয়েছে একটি জব প্রোগ্রামের জন্য কানাডা সরকার চার লাখের বেশি নিয়োগ দিবে ও বাছাইকৃতদের তাৎক্ষণিকভাবে ওয়ার্ক পারমিট দেয়া হবে। প্রতারক চক্র এ বিষয়ে সার্বিক সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। কিন্তু আদতে কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের কোন উদ্যেগ নেয়া হয় নি।

পর্যবেক্ষণী প্রতিষ্ঠান ক্যাম্পেইন ফর অ্যাকাউন্টেবিলিটির গবেষণা শাখা টেক ট্রান্সপারেন্সি প্রোজেক্টের (টিপিপি) নতুন একটি প্রতিবেদনে প্রতারক চক্রের পোস্টটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। একে সম্ভাব্য প্রতারনা হিসেবে চিহ্নিত করেছে লাতিন আমেরিকা ও কানাডা কর্তৃপক্ষ।

প্রতারক চক্রের লেখা পোস্টে বিশাল নিয়োগের বিষয়টি উল্লেখ করার পাশাপাশি কর্মসূচিটিতে আবেদন ও ভিসা পেতে সাহায্য করার কথাও জানিয়েছে। এছাড়াও পোস্টটিতে ভিসা অথবা অভিবাসন সক্রান্ত তথ্য পাওয়ার জন্য লিংকটি হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ১৫ জন বন্ধুকে শেয়ার করার শর্ত দেয়া হয়েছে। তবে এ কাজটি করার আগে ব্যবহারকারীকে স্ক্যামারদের ওয়েবসাইটে বেশ কিছু সবেদনশীল তথ্য দিতে হয়েছে।

sheikh russel 2022

‘ইনভাইট ফ্রেন্ডস’ লিংকটি হোয়াটসঅ্যাপে খোলে ও অ্যাপটিকে স্বয়ক্রিয়ভাবে বার্তা দিয়ে তৈরি যা মূল স্ক্যাম পোস্টকে খুব কাছে থেকে প্রতিফলিত করে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা গার্ডিয়ান। তবে ব্যবহারকারী পোস্টে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ি লিংকটি শেয়ার করলেও অভিবাসন সংক্রান্ত কোন তথ্য দিয়ে সাহায্য করা হয় না।

টিটিপি জানিয়েছে, এরইমধ্যে পোস্টটি কমপক্ষে ১২টি ফেসবুক গ্রুপের মধ্যে শেয়ার করা হয়েছে। এসব গ্রুপের সদস্য সংখ্যা দুই হাজার ৭০০ থেকে শুরু করে এক লাখ ৯০ হাজার পর্যন্ত। সবমিলিয়ে এই গ্রুপগুলো ব্যবহারকারীর সংখ্যা পাঁচ লাখ ৭০ হাজার জন।

ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই ফেসবুক পেজে এ ধরনের স্ক্যামের বিষয়ে সতর্ক করেছিল কানাডা ও হুন্ডুরাস। হুন্ডুরাসের জাতীয় পুলিশ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি ভূয়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা সবকিছুই বিশ্বাস করা ঠিক নয়। এখানে আপনি গোপন তথ্য দিয়ে প্রতারনার শিকার হতে পারেন।

প্রতারকদের পোস্টগুলো নিয়ে ব্যবহারকারীদের প্রতিক্রিয়া বিশ্লেষণ করেছে গার্ডিয়ান। এর মধ্যে ফেসবুকের ৪৮ হাজার ফলোয়ার যুক্ত একটি গ্রুপে এমন একটি পোস্ট গত মার্চে শেয়ার করা হয়েছে। কেউ কেউ এ বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

ফেসবুকের মুখপাত্র ইরিন ম্যাকপাইক বলেন, ‘আমরা প্রতারনামূলক কার্যক্রম বন্ধে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সন্দেহজনক কনটেন্ট রিপোর্ট করার জন্য আমরা সবসময়ই উৎসাহ দিয়ে থাকি। টিটিপি বিষয়টি গণমাধ্যমের কাছে প্রকাশের আগে আমাদের জানায় নি। তবে আমরা যখন তা হাতে পাব তখন পর্যালোচনা করে দেখব ও কনটেন্টগুলো সরিয়ে রাখার ধারাবাহিকতা থাকবে।

আরএপি



[ad_2]

Source link

Leave a Comment